গতিশীল ইন্টারনেটের আওতায় আসছে কুবি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

গতিশীল ইন্টারনেটের আওতায় আসছে কুবি

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অধীনে বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্কের (বিডিরেন) তত্ত্বাবধায়নে শক্তিশালী ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)। এই প্রকল্পের আওতায় ইন্টারনেটের আওতায় আসবে পুরো ক্যাম্পাস।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পার হলেও তথ্য-প্রযুক্তি বিকাশের এই যুগে ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ইচ্ছে থাকা সত্বেও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

আরও জানা গেছে, প্রথমবারের মতো ২০১৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মাত্র ২০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট চালু করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ; যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ইন্টারনেট স্থাপনের মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই কয়েকটি রাউটার অকেজো হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন শিক্ষার্থীরা। ইন্টারনেট ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘবের চিন্তা মাথায় রেখেই শক্তিশালী ইন্টারনেট স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে এক গিগা বাইট (জিবি) গতির ইন্টারনেট স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কুবি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ক্যাম্পাসে প্রায় ৭০টি ওয়াই-ফাই জোন স্থাপন করে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া হবে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী, জোন এবং গতি বাড়ানো হবে। প্রায় ২ কোটি টাকার এই প্রকল্পটির কাজ আগামী মাসেই শুরু হতে পারে।

নতুন প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল এবং শিক্ষকদের ডরমেটরি ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আসবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের চেয়ারম্যান এবং প্রকল্পটির ডেপুটি সাব প্রজেক্ট ম্যানেজার দুলাল চক্রবর্তী জানান, এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই ক্যাম্পাসে শক্তিশালী ইন্টারনেট স্থাপনের কাজ শুরু হবে। ঠিক সময়ে কাজ শেষ হলে শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাই এর সুবিধা ভোগ করবে। ইন্টারনেটের গতি এক গিগা বাইট থাকবে।

কুবি উপাচার্য প্রফেসর ড.মো. আলী আশরাফ বলেন, সব সময় শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করছি। এ ক্যাম্পাসে প্রথম ইন্টারনেট স্থাপন করেছিলাম আমি। এখন তা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছি। ইউজিসির অধীনে বিডিরেনের তত্ত্বাবধায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট সুবিধা পেলে আমারই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগবে।

অর্থসূচক/রাসেল/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ