তিন কৃষ্ণকলির ইনস্টাগ্রাম জয়
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

তিন কৃষ্ণকলির ইনস্টাগ্রাম জয়

লালন ফকিরের ‘গোকুলে কালার প্রেমে কে না মজেছে সখি’, তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কালো যদি মন্দ গো তবে কেশ পাকিলে কান্দ কেনে হায়’, রবী ঠাকুরের ‘কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো বলে তারে সব গাঁয়ের লোক’ কিংবা জসীমউদ্দিনের ‘কালো মুখেই কালো ভ্রমর কিসের রঙিন ফুল’ সাহিত্য গাঁথায় কালো অলঙ্কার হয়ে ব্যবহার হলেও বাস্তব জীবনে ভৌগোলিক অবস্থানুযায়ী তার প্রেক্ষাপট ভিন্ন হয়। শীতমণ্ডলীয় বেশিরভাগ দেশেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা সূর্যস্নান করে নিজেদের চামড়ায় রোদে পোড়াভাব আনতে চায়। কেননা তামাটে, পোড়া রঙ কালো চামড়া তাদের ব্যস্ত ও পরিশ্রমী বলে সম্মানিত করে।

আফ্রিকার বেশ কিছু দেশে কালো হয়ে জন্ম নেওয়াটা বেশ গৌরবের। কারণ যতো কালো হয়, বিয়ের বাজারে তাদের ততো চাহিদা বাড়ে।

ভারতের তিন কৃষ্ণকলি।

কিন্তু এই কালোর বেশ উল্টো প্রতিফলন দেখা যায় আমাদের উপমহাদেশে। এখানে কালো হয়ে জন্ম নিলে সইতে হয় গঞ্জনা, অবমাননা আর বৈষম্য। তার চেয়ে ফর্সা ত্বকের এক বিশাল সামাজিক মর্যাদার জায়গা রয়েছে এখানে। যেনো সবসময় ফর্সার রঙেরই জয়জয়কার।

আর এতো নেতিবাচকতার মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে মানুষের মন জয় করে নিলো ভারতের তিন কৃষ্ণকলি। শাড়ি, গয়নায় আগাগোড়া ভারতীয় সাজে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন ওই তিন বন্ধু। তাদের গায়ের চাপা রং, খাঁটি ভারতীয় সাজ আর মুখে অনাবিল হাসি এতেই অসম্ভব রকমের সৌন্দর্যমণ্ডিত ছিলো বলে আনন্দবাজার পত্রিকা সূত্রে জানা গেছে।

অভিরামি রবিচন্দ্রন পিল্লাই নামের এক ব্যক্তির ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে ছবিটি প্রথম আপলোড করা হয়। আর পরে ‘দ্য আনক্যানি ট্রুথ টেলার ২’নামের একটি ফেসবুক পেজ শেয়ার করলে ভাইরাল হয়ে ওঠে ‘ভারতের মুখ’ ক্যাপশানের ছবিটি।

আফ্রিকার রাতের কন্যা খ্যাত মডেল খোউদিয়া।

আফ্রিকার জনপ্রিয় মডেল খোউদিয়ার কথা আমরা জানি। ‘রাতের কন্যা’  নামেই গোটা পৃথিবী আজ চেনে তাকে।

হাজার হাজার মাইল দূরত্বের ব্যবধান ঘুচিয়ে আজ খোউদিয়াকে যেন অনেকটাই ছুঁয়ে ফেললেন তিন ভারতীয় কন্যা।

অর্থসূচক/তাবাচ্ছুম/কাঙাল মিঠুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ