দেশি কোম্পানিকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেবে সরকার
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

দেশি কোম্পানিকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেবে সরকার

বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। আর এ বিষয়ে সরকারের পক্ষে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদেশে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বিডার সচিব ও নির্বাহী সদস্য অজিত কুমার পালকে আহবায়ক (সমন্বয়ক) করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে বিদেশে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ নীতিমালার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ করতে বলা হয়।

garments Sector

তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক।

ওই কমিটির প্রথম সভার বৈঠক আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। বিডার বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত ওই সভার নেতৃত্ব দেন বিডার সচিব ও নির্বাহী সদস্য অজিত কুমার পাল।

সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক  এ. এন. এম. আবুল কাশেম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব (কর) মো. ইকবাল বাহার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মো. রাশেদুজ্জামানসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বিডা সচিব বলেন, এ নীতিমালা প্রণয়নে এ সংক্রান্ত সব স্টেকহোল্ডার ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বিদেশে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগের বিষয়টি আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। এক্ষেত্রে আমরা ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারি।

অজিত কুমার বলেন, বর্তমানে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আমাদের গার্মেন্টস বহির্ভূত অন্যান্য শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে অর্থাৎ পণ্য বহুমুখীকরণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে যদি বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনতে পারে- সে বিবেচনায় আমরা এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছি।

কমিটির উপস্থিত অন্যান্য সদস্যরা বলেন, কিছু বিষয় বিবেচনায় রেখে বিদেশে বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানসমূহের বিনিয়োগের অনুমতি প্রদান করতে হবে। যেমন- দেশীয় আমদানি ব্যয় যাতে মেটানো যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকে সে পরিমাণ রিজার্ভ (মজুদ) সংরক্ষণপূর্বক বিদেশে বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়া; যে পরিমাণ অর্থ বিদেশে বিনিয়োগ করা হবে, সেটা বিনিয়োগ শেষে বাংলাদেশে সঠ্কিভাবে প্রত্যার্পণ করা যাবে কিনা; কোনো কোনো সেক্টরে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ প্রদান করা হবে তা নির্ধারণ; বিদেশে বিনিয়োগে বাংলাদেশী নাগরিকরা কর্মসংস্থানের সুযোগের বিষয়টি বিবেচনায় আনা; সভা, সেমিনার, কর্মশালা, প্রভৃতি আয়োজনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার ও বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা।

বিজ্ঞপ্তি/এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ