'পুঁজিবাজারকে আর পেছনে তাকাতে হবে না'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘পুঁজিবাজারকে আর পেছনে তাকাতে হবে না’

শেরিফ এম এ রহমান। দেশের অন্যতম অভিজ্ঞ স্টক ব্রোকার ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার। বর্তমানে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। দীর্ঘ দুই যুগের ক্যারিয়ারে তিনি ব্রামার অ্যান্ড ক্যাপিটাল পার্টনার্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট (বাংলাদেশ), এবি ইনভেস্টমেন্ট, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ইকুইটি পার্টনার্স, এপেক্স ইনভেস্টমেন্টের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান ও আগামী, বাজারের কাঠামো ও আচরণগত বিষয়াদি নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন অর্থসূচকের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন অর্থসূচকের নিজস্ব প্রতিবেদক গিয়াস উদ্দিন। ছবি তুলেছেন মহুবার রহমান।

অর্থসূচক: দেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

শেরিফ এম এ রহমান: গত এক দশকে আমাদের বাজারের ব্যাপ্তি অনেক বেড়েছে। বাজারমূলধন উল্লেখ করার মতো একটি অবস্থানে উঠে এসেছে। তবে এতে খুব বেশি সন্তুষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ আমাদের অর্থনীতির আকার এবং উন্নয়নশীল অনেক দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে।  ভারতে পুঁজিবাজারের মূলধন তার জিডিপির ৮৭ শতাংশ, মালয়েশিয়াতে ১৩২ শতাংশ, আমেরিকাতে প্রায় ৩০০ শতাংশ। আমাদের এখানে তা ৩০ শতাংশই পার হতে পারছে না। তাই এ বাজারের বড় হওয়ার অনেক সুযোগ আছে।

অর্থসূচক: একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজারের জন্য কী প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?

শেরিফ এম এ রহমান: আমার মতে একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজারের জন্য প্রথম এবং প্রধানত প্রয়োজন দক্ষ জনবল। এর পর দরকার ভালো মানের স্টক এবং বাজারের গভীরতা। এই তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ।

শক্তিশালী বাজারের জন্য দক্ষ জনবলের বিকল্প নেই। দক্ষ জনবল থাকলে মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করা যাবে। বাজারের ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন হবে। তাদের হাত ধরে নতুন নতুন প্রোডাক্ট আসবে।

ভারত ও আমাদের বাজারের তুলনা করলেও দক্ষ জনবলের গুরুত্বটা স্পষ্ট হয়। কয়েক বছর আগে কাছাকাছি সময়ে ভারত এবং আমাদের বাজারে বড় ধরনের পতন ঘটে। পতনের ধাক্কা সামলে বছর খানের মধ্যে ভারতের বাজার ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়। কিন্তু আমাদের বাজারের সময় লেগেছে ৬ বছরের বেশি সময়। এর অন্যতম কারণ হলো মন্দার মধ্যেও যে বাজারে ভালো রিটার্নের সুযোগ আছে, তা আমরা দক্ষ জনবলের অভাবে বিনিয়োগকারীদের বুঝাতে পারিনি। উন্নত দেশগুলোতে ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ পুঁজিবাজার। কিন্তু আমাদের দেশে তার উল্টো। পুঁজিবাজারে মেধার মূল্যায়নের ব্যাপার আছে। এখানে যারা চাকুরি করে তাদের একটি সিদ্ধান্তের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। যেমন একজন বিনিয়োগকারী ব্রোকার প্রতিনিধিকে ১০ কোটি টাকা দিলো, সেটি তাদের সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করার মাধ্যমে রিটার্ন দিতে হয়। কোথায় কোথায় বিনিয়োগের ভালো জায়গা আছে, তা খুঁজে বের করতে হবে।

একটি শক্তিশালী বাজারের জন্য পর্যাপ্ত ভালো শেয়ার দরকার। আমাদের বাজারে যে ভালো শেয়ার নাই, তা নয়। তবে সংখ্যা কম। এটি বাড়াতে হবে। ভালো শেয়ার ভালো বিনিয়োগকারী টেনে আনে। বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগের অপরিহার্য শর্ত হচ্ছে ভালো শেয়ারের প্রাপ্যতা।

গতিশীল পুঁজিবাজার বাজার নিশ্চিত করতে বাজারের গভীরতা বাড়ানো জরুরী। সেটি করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বেশি। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়লে বাজারের গভীরতা বাড়বে। কারণ তারা দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করতে পারে, এটি ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের অনেকের পক্ষেই সম্ভব না। যেমন বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ২০১৩ সালে ২২-২৩ টাকা দরে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার কিনেছে। সেই শেয়ারের দাম কত এখন? গ্রামীণ ফোন, স্কয়ারসহ ভালো সব কোম্পানির শেযারের দামের একই অবস্থা।

অর্থসূচক: আমাদের বাজার উঠতে গিয়ে আবার হোঁচট খাচ্ছে? এর কারণগুলো কী কী?

শেরিফ এম এ রহমান: আইপিওতে আসা নতুন কোম্পানির লেনদেন শুরু হলে প্রথমদিকে শেয়ারের অনেক দাম হয়, পরে আবার সেটি কমে যায়। শুরুর দিকে যারা শেয়ার কিনছে তাদের অনেক লোকসান দিতে হচ্ছে। ফলে তাদের মূলধন কমে যাচ্ছে।

এর পর হলো বিনিয়োগকারীদের সেবা দেওয়া। আমরা কী তাদের সেবা দিবো না কী লাভ করিয়ে দিবো। আমাদের বাজারে অনেক ধরণের বিনিয়োগকারী আছে। আমাদের এই বাজারের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সেবা নিশ্চিত করা।এটি করতে না পারলে বাজার ক্ষতিগ্রস্থ হবে। লেনদেন করার সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীই নিবে, কিন্তু সময়মত তথ্য শেয়ার করা, তার সঙ্গে যোগাযোগ রাক্ষা করা হলো আমাদের কাজ। কিভাবে সেবা বাড়ানো যায়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

শ্রীলংকাতে বিনিয়োগরীদের আইন করে হাউজে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ তারা সেবাটি নিশ্চিত করেছে। বাজারে আসলে গুজব বাড়বে, তোমার কাজ হলো তথ্য নেওয়া। ওই জিনিসটাকে ওই জায়গায় নিয়েগেছে। কাস্টমারদের চাহিদা অনুযায়ী সেবা দেয়।

পণ্য বাড়াতে হতে হবে। বাজার ভালো হতেই হবে। কারণে ২০১০ সালে বাজারের ধ্বসের সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছে। এগুলোর অনেক কিছু বাস্তবায়ন হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল রিপোটিং অ্যাক্ট খুব শিগগির বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে, বিশেষ ট্রাইবুনাল কাজ করছে, ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন করা হয়েছে, সার্ভিল্যান্স সফ্টওয়্যার শক্তিশালী করা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য দেশব্যাপি ফিন্যান্সিয়াল লিটারেসি চালু করেছে। আমরা মনে করি ভালো বিনিয়োগকারী তৈরি করার জন্য এটি অনেক বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

বিদেশী ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফলিও ম্যানেজারদের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরাও প্রশিক্ষণ নেয়। আর আমাদের দেশে বিএসইসি ও ডিএসই ডেকেও বিনিয়োগকারীদের প্রশিক্ষণ দিতে আনতে পারে না।

অন্যদিকে একজন ভালো ট্রেডার তৈরি করার জন্য আমাদের দেশে যে পরিমাণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তা যতেষ্ঠনা। এটি আরও বাড়াতে হবে। আমাদে দেশ বাদে সব দেশেই সর্বনিম্ম ৬ মাসের প্রশিক্ষণ লাগে ট্রেডা হওয়ার জন্য। কারণ একজন ট্রেডারের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। কারণ তার দ্বারা একজন বিনিয়োগকারীর লাভ-লোকসান অনেক কিছু নির্ভর করে। সব মিলিয়ে সরকারের ইতিবাঁচক উদ্যোগের কারণেই বাজার দিরে দিরে ভালোর দিকে যাচ্চে। সরকারের উদ্যোগগুলো বিদেশীরা ভালোভাবে নিচ্ছে বলেই ২০১৪ সালে থেকে বিদেশীদের বিনিয়োগ বাড়ছে।

অর্থসূচক: আমাদের বাজারের সম্ভাবনা কেমন দেখছেন?

শেরিফ এম এ রহমান: আমাদের বাজারের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের অর্থনীতিতে প্রতি বছর ছয় শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্বের সম্ভাবনাময় অর্থনীতিগুলোর একটি।

আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটারহাউজকুপার্স (পিডব্লিইউসি) বাংলাদেশের অর্থনীতিকে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলোর তালিকায় রেখেছে। সামনে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করছে।  আমাদের এখন আর আগের মতো সস্তা শ্রমিক নেই। মানুষের আয় বাড়ছে। বাড়ছে ক্রয়ক্ষমতা।

সরকার অনেকগুলো বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এক পদ্মা সেতু হওয়ার পর তা জিডিপিতে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ অবদান রাখতে পারবে। এর বাদেও কিন্তু আমাদের আরও ব্রিজ হচ্ছে বা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়ছে। পায়রা বন্দর, কক্সবাজার পোর্ট, চট্টগ্রাম পোর্ট ও খুলনা পোর্টকে যদি আরও শক্তিশালী করা যায় তাহলে এই পোর্টের ব্যবসা দিয়েই বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। অর্থনীতি ভালো পারফর্ম করলে পুঁজিবাজারেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে কতোটা প্রভাব পড়বে তা নির্ভর করবে আমাদের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির উপর। পুঁজিবাজারের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এটি করতে পারলে পুঁজিবাজারকে আর পেছনের দিকে তাকাতে হবে না।

বিদেশী বিনিয়োকারীরা ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে। পাকিস্তান ফ্রন্টিয়ার থেকে এমার্জিং মার্কেটের দিকে যাচ্ছে। তাই ওই বাজারের অনেক ফান্ড অন্য ফ্রন্টিয়ার মার্কেটের দিকে যাবে। এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলাদেশেও আসতে পারে।  এই ফান্ড কত বেশি আনা যায় তার জন্য আমাদের চেষ্টা করতে হবে।

সরকারের নেওয়া অনেক বড় বড় প্রকল্পে বিদেশিরা বিনিয়োগে করছে। এই বিনিয়োগ প্রত্যাহার করতে হলে পুঁজিবাজারে না আসার বিকল্প কোনো পথ নেই। এই কোম্পানিগুলো হবে ৫-১০ হাজার কোটি টাকার। ওই সময় বাজার ভালো না হয়ে যাবে কই। একই সঙ্গে আমাদের দেশেও অনেক বড় বড় কোম্পানি আছে, যারা এখন বাজারে আসছে না। বহুজাতিক কোম্পানির দেখাদেখি তারাও বাজারে আসবে।

অর্থসূচক: একটি ভালো কোম্পানি কেন বাজারে আসবে?

শেরিফ এম এ রহমান: বেশ কিছু কারণে একটি কোম্পানির পুঁজিবাজারে আসা প্রয়োজন। প্রথমত পুঁজিবাজার হচ্ছে শিল্পায়নের পুঁজি জোগানোর জন্য একটি সাশ্রয়ী উৎস। একটি কোম্পানি চাইলে পুঁজিবাজারকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে অনেক বড় করতে পারে। অর্থনীতিতে আরও বেশি অবদান রাখতে তারা পুঁজিবাজারে আসতে পারে।

অন্যদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে কোম্পানিগুলো শত বছর টিকে থাকতে পারবে। প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্যোক্তার মৃত্যুর পর ওই কোম্পানির অস্তিত্ব নিয়ে সংকটে পড়বে না। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে কোম্পানির করপোরেট কালচার আরও ভালো হয়। বিকল্প নেতৃত্ব তৈরি হয়। মূল উদ্যোক্তার মৃত্যু হলে শেয়ারহোল্ডাররা নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে পারেন, যিনি ওই কোম্পানির হাল ধরে সেটিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দিকে তাকালে কিন্তু এমন অসংখ্য উদাহরণ পাওয়া যায়। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর মধ্যে শত বছরের বেশি পুরনো অনেক কোম্পানি রয়েছে। এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি যে কোনো কোম্পানির ব্র্যান্ড ভ্যালু আরও বাড়িয়ে দেয়।

অর্থসূচক: বাজারে নতুন পণ্য নিয়ে আসা কতটা দরকার?

শেরিফ এমএ রহমান : বাজারের গভীরতা বাড়াতে নতুন নতুন পণ্যের বিকল্প নেই। যে বাজারে যত বেশি পণ্য থাকবে সে বাজারের ঝুঁকি তত কম থাকে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নতুন পণ্য বাজারে আনতে কাজ করছে। এর মধ্যে ডেরিভেটিব্স নিয়ে বিএসইসি আইনি কাঠামো ঠিক করেছ। এমনিতে আমাদের অনেক ছেলে মেয়ে দেশের বাইরে ডেরিভেটিবস সম্পর্কে পড়াশোনা করেছে। এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড, ইন্ডেক্স ফন্ড অনেক কিছু বাজারে যুক্ত হবে।

অর্থসূচক: দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে। তাদেরকে আরও বেশি আকৃষ্ট করতে আমাদের রেগুলেটর পর্যায় থেকে কি ধরণের উদ্যোগ প্রয়োজন?

শেরিফ এমএ রহমান: বিদেশীরা আসতে চায়। তাদের প্রয়োজন ভালো শেয়ার। তাদেরকে ভালো শেয়ার আমরা দিতে পারছি না। আমরা বিদেশীদের ১৩ থেকে ১৪টি শেয়ার দেই। এটি সর্বনিম্ম ৫০টিতে পৌছাতে হবে। অপশন বাড়াতে হবে। বিদেশীরা টাকা নিয়ে বসে আছে, তাদের ভালো শেয়ার প্রয়োজন। তবে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে যে কোম্পানিগুলো আসছে, সেখান থেকে তাদের চাহিদার কিছুটা পূরণ করা যাবে।

অর্থসূচক: দীর্ঘদিন ধরে বিএসইসি ব্রোকারহাউজের নতুন শাখার অনুমোদন দিচ্ছে না। বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

শেরিফ এম এ রহমান: বিএসইসি হয়তো কৌশলগত কোনো কারণে ব্রোকারহাউজের নতুন শাখা খোলার অনুমতি দিচ্ছে না। এটি যদি দেওয়া না হয় তাহলে এর বিকল্প খুঁজতে হবে। বাজারের পরিধি বাড়ানো এবং আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে এই বাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে বড় শহরগুলোর বাইরেও যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে ভারতে অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে। ভারত ব্রোকারহাউজগুলোকে সাব-ব্রোকার খোলার অনুমতি দেওয়ার মাধ্যমে সারাদেশে এদের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ করে দিয়েছে। ভারতের একটি শীর্ষ ব্রোকারহাউজের প্রায় ৩৪ হাজার সাব-ব্রোকার আছে।

অর্থসূচক/জিইউ

এই বিভাগের আরো সংবাদ