বন্দরের তিন কর্মকর্তার ঘুষের মামলা তদন্ত করবে দুদক
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বন্দরের তিন কর্মকর্তার ঘুষের মামলা তদন্ত করবে দুদক

চট্টগ্রাম বন্দরের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা ও ঠিকাদার মোহাম্মদ ইলিয়াসের দায়ের করা মামলাটি গ্রহণ করেছে আদালত। একইসঙ্গে মামলার শুনানিতে আনা অভিযোগ তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, বন্দরের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬২ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনেন মোহাম্মদ ইলিয়াস। তিন মাস আগে দায়ের করা মামলাটি আজ রোববার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. শাহে নূরের আদালতে গৃহীত হয়।

অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন- বন্দরের মেরিন ওয়ার্কশপের ডেপুটি ইঞ্জিনিয়ার এমদাদুল হক, একই বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.মহিউদ্দিন ও আসিফ মাহমুদ।

বাদির আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ জানান, গত ২৯ জানুয়ারি আদালতে মামলার শুনানি দাখিল করেছিলাম। মামলা আমলে নিয়ে কয়েকটি বিষয়ে তদন্তের আদেশ দিয়ে সেটি গ্রহণ কিংবা বাতিলের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিল আদালত। আজ শুনানি শেষে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে দুদককে তদন্তের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। মামলাটি তদন্তের জন্য কর্মকর্তা নির্ধারণ করবেন দুদক মহাপরিচালক। তদন্তের সময়সীমা দুদক আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরের মেরিন ওয়ার্কশপের ডেপুটি ইঞ্জিনিয়ার এমদাদুল হকের কক্ষে ঢুকে তার উপর হামলার অভিযোগে মামলার আসামি হন আওয়ামী লীগ নেতা ইলিয়াস। ওই ঘটনায় এমদাদুল হক বাদি হয়ে বন্দর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় গত ১৮ জানুয়ারি আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয় ইলিয়াসকে। এক সপ্তাহ পর জামিনে মুক্ত হন ইলিয়াস।

এরপর ২৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দরের একজন তালিকাভুক্ত ঠিকাদার হিসেবে আদালতে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির মামলা করেন মোহাম্মদ ইলিয়াস। কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য বন্দরের তিনজন কর্মকর্তা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়।

অর্থসূচক/সুমন/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ