কলম্বোর মাঠেই ৬২ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

কলম্বোর মাঠেই ৬২ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ

জয় বাংলা সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে ১৯১ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। কলম্বোর পি সারা স্টেডিয়ামে চলছে ম্যাচটি। পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনে ১৫ ওভারের ব্যাটিংয়ে ৩৮ রান করেছে টাইগাররা। এর মধ্যেই সাজঘরে ফিরেছেন সৌম্য সরকার এবং ইমরুল কায়েস।

উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার ১০ রান করলেও কোনো রান না করেই হেরাথের বলে আউট হন ইমরুল কায়েস। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এমন দৃশ্য কম নয়। এখন ক্রিজে আছেন অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল এবং ডানহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান।

Ashraful & Rafique

২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত কলম্বো টেস্টের একটি ছবি।

আজকের দিনে নির্ধারিত ওভারের কোটা পূরণ করতে আরও ৫৯ ওভার বাকি আছে। আর বাংলাদেশের হাতে রয়েছে ৮ উইকেট। জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১৫৩ রান। প্রতি ওভারে মাত্র ২.৫৯ রান করে দরকার টাইগারদের।

একে বাংলাদেশের জয়ের আভাস বলেই মনে করছেন অনেকেই। তবে কলম্বোর এ মাঠে টেস্টে সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা রয়েছে টাইগারদের। নিজেদের সবচেয়ে কম স্কোর করা ইনিংসটি কলম্বোর পি সারা স্টেডিয়ামেই; শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই খেলেছিল সে টেস্ট।

২০০৭ সালের ৩ জুলাই শুরু হওয়া ওই টেস্টের প্রথম দিনে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৫.২ ওভারে মাত্র ৬২ রানে করেছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে দলের নেতৃত্বে ছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে প্রথম ইনিংসে কোনো রান না করেই সাজঘরে ফিরেছিলেন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

টেস্টে নিজেদের সর্বনিম্ন স্কোরের ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২১ রান করেছিলেন রাজিন সালেহ। দলের অন্য কোনো ব্যাটসম্যানের রান দুই ঘরে যায়নি। অন্যদের মধ্যে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম ৯ রান; উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জাবেদ উমর বেলিম ৮ রান; মেহরাব হোসেন জুনিয়র ৬ রান; হাবিবুল বাশার ৫ রান; মোহাম্মদ শরীফ ৪ রান; মোহাম্মদ রফিক ২ রান এবং শাহাদাত হোসেন ১ রান করেছিলেন।

আর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান শাহরিয়ার নাফিজ; অধিনায়ক আশরাফুল এবং মাশরাফি-বিন মুর্তজা কোনো রান না করেই সাজঘরে ফিরেছিলেন। ওই ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ব্যাট থেকে মোট ৫টি বাউন্ডারি আসলেও কোনো ওভার বাউন্ডারি আসেনি।

প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬২ রানে অলআউট হলেও ওই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের চেহেরা অনেকটাই পাল্টে গিয়েছিল। ১২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন প্রথম ইনিংসে কোনো রান না করা আশরাফুল। আর মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে এসেছিল ৮০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যাট থেকে রান আসলেও কোনো রান না করে সাজঘরে ফেরেন প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী রাজিন সালেহ।

সব শেষে গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা ক্রিকেট। ইতিহাস দিয়ে এ খেলাকে হিসাব করা উচিৎ নয়। ১০ বছর আগের বাংলাদেশ টেস্ট দলের চেয়ে বর্তমান দল অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ। তাই আজ নতুন ইতিহাস রচনার স্বপ্ন দেখছে দেশের ৩২ কোটি চোখ।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ