গরমে স্বস্তিদায়ক পানীয়
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

গরমে স্বস্তিদায়ক পানীয়

বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী, বছরের শেষ মাস চৈত্র শুরু হয়েছে; আসছে বৈশাখ মাস। এখন সূয্যি মামার দেখা পাওয়া মানেই তীব্র গরম। মাঝে মাঝেই ভ্যাপসা হয়ে উঠছে পরিবেশ। এমন পরিস্থিতিতে শরীর ভালো রাখতে বাড়তি সর্তকতার পাশিপাশি প্রচুর পানি পান করা উচিত।

চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের গরমে বেশি পরিমাণে পানি পান করা উচিত। তবে সারাদিন সাধারণ পানি পান করা যায় না। এক্ষেত্রে পানির চাহিদা পূরণে বিভিন্ন কোমল পানীয় এর আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে।

কোমল পানীয় বলতে অনেকে শুধু বোতলজাত পানীয়কে চিহ্নিত করেন। বোতলজাত পানীয় ছাড়াও ঘরেই নানা রকম কোমল পানীয় তৈরি করা যায়। যেমন: লেবুর সরবত, লাচ্ছি, শশা, ব্রকোলি জুস ইত্যাদি। পরিবারের ছোট-বড় সবার জন্যই এগুলো পুষ্টিদায়ক এবং উপাদেয়।

ঘরে তৈরির জন্য কিছু কোমলপানীয় রেসিপি।

sarbot

লেবুর শরবত।

লেবুর শরবত: একটা সময় গরম কালে মেহমান আসলেই অন্যান্য খাবার সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে লেবুর শরবত দিতে দেখা যেত। কিন্তু বোলতজাত পানীয় এর ব্যবহার বাড়তে থাকায় সে প্রবণতা হারিয়ে গেছে। বোতলজাত পানীয়তে শরীরের জন্য ক্ষতিকর কিছু উপাদান থাকে। লেবুর শরবতে তেমন কিছুই থাকে না; বরং এটি শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী। সাধারণ পানিতে লেবুর রস, লবণ ও চিনি মিশিয়ে শরবত বানানো  হয়। অনেকে আবার চিনির পরিবর্তে মধুও ব্যবহার করেন। সর্দিজাতীয় অসুখ হলেও স্বাভাবিক তাপমাত্রায় লেবুর শরবত পান করা যায়।

লাচ্ছি: দইয়ের সঙ্গে পানি মিশিয়ে নিজের পছন্দমতো ঘনত্ব তৈরি করুন। এতে এক চিমটি লবণ ও ১ চা চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এবার ওই মিশ্রণটি ভালোভাবে নেড়ে পান করুন। এটি সুস্বাদু এবং শরীরের জন্য উপকারী। লাচ্ছিতে আম বা স্ট্রবেরিও দেওয়া যায়।

orangejuice

কমলার জুস।

কমলার রস: সাধারণ দোকান থেকে অরেঞ্জ জুস কিনে খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে এ জুস ঘরেও বানানো যায়। কমলার রস নিয়ে তাতে পরিমাণমতো চিনি বা মধু মিশিয়ে নিলেই মজাদার অরেঞ্জ জুস হয়ে যায়।

শশা ও ব্রকোলি জুস: ব্রকোলি ও শশা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ব্ল্যান্ডার মেশিনে দিন। মিশ্রণটিতে ১ টেবিল চামচ মধু ও পরিমাণমতো লবণ দিন। লেবুর রসও দেওয়া যায়। এরপর ভালোভাবে নাড়ুন এবং ছেঁকে পান করুন।

গাজরের রস: সাধারণত গাজরের স্বাদ কিছু মিষ্টি। একে ব্ল্যান্ডার করে চাট মশলা দিয়ে খাওয়া যায়। প্রয়োজনে চিনিও দেওয়া যায়।

WaterMelon

তরমুজের জুস।

তরমুজের জুস: তরমুজ ছাড়িয়ে ভিতরের বিচি বের করে নিয়ে ভালোভাবে ব্ল্যান্ডার করে পরিমাণমতো লবণ ও চিনি দিলেই জুস তৈরি হয়ে যায়।

টমেটোর জুস: টমেটো অনেক বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। খোসা ছাড়িয়ে ব্ল্যান্ডার করে পরিমাণমতো চাট মশলা ও মধু/চিনি দিয়ে জুস বানানো হয়।

স্ট্রবেরি জুস: স্ট্রবেরির টুকরো ও চিনি দিয়ে ভালো করে ব্ল্যান্ডার করে প্রয়োজনে অল্প পানি, পরিমাণমতো লবণ ও চিনি দিলেই হয়ে যায় স্ট্রবেরি জুস।

পুদিনা-পাতার-চা

পুদিনা পাতার চা।

পুদিনা আইস টি: পুদিনা পাতা শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। চায়ের লিকার ফোটানোর সময় অল্প পুদিনা পাতা দিলেই পুদিনা আইস টি হয়ে যায়। এরপর ঠাণ্ডা করে পান করুন।

এছাড়া ডাবের পানি আমাদের শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। সুযোগ পেলেই ডাবের পানি পান করুন। এতে শরীর ঠাণ্ডা থাকবে; পেটের সমস্যাও হবে না। একইসঙ্গে পানিশূন্যতা দূর হবে।

অর্থসূচক/তাবাচ্ছুম/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ