'যন্ত্রে ভোটগ্রহণে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘যন্ত্রে ভোটগ্রহণে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই’

আগামী জাতীয় নির্বাচনে যন্ত্রে ভোটগ্রহণে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

Md. Nasim

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম।

বিশ্বের বহু দেশেই এখন ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি ব্যালট পেপারের পরিবর্তে যন্ত্রে ভোটগ্রহণের কথা ভেবে থাকে তাহলে আওয়ামী লীগ এর পক্ষেই আছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নবজাতক বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লা।

আয়োজক সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারীর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা দেন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের অনারারি পরিচালক ও বিএসএমএমইউ’র হেমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা.এবিএম ইউনুস।

অনুষ্ঠানে রক্তদাতাদের পক্ষে সাইমুন ইমতিয়াজ ও নিয়মিত রক্তগ্রহিতাদের পক্ষে থ্যালাসেমিয়া রোগী দশম শ্রেণীর ছাত্রী শোভা আক্তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

সংবিধানের ধারাবাহিকতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী নাসিম বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্দিষ্ট সময়েই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে কোন দল আসবে আর কোন দল আসবে না- সেটি ওই দলের ভাবনা।

নির্বাচন কমিশনের যন্ত্রে ভোটগ্রহণের ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এখন মানুষ বেশ সচেতন। জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্মার্ট কার্ডের এ ডিজিটাল যুগে কারো ভোট কারচুপির সুযোগ নেই। কাউকে আর এ সুযোগ দেওয়া হবে না।

কোয়ান্টাম নিরাপদ রক্ত ছাড়া কোন রক্ত গ্রহণ করে না- এমন স্লোগানের প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা দূষিত রক্ত সংগ্রহ ও সরবরাহ করে থাকে এবং নামসর্বস্ব হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার মাধ্যমে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দুই শতাধিক রক্তদাতার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, সদনপত্র ও বিশেষ আইডি কার্ড তুলে দেন। সম্মাননাপ্রাপ্ত রক্তদাতারা প্রত্যেকে ২৫ বারের বেশি করে রক্ত দান করেছেন।

এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ