নোট বাতিল: ভারতের অর্থনীতিতে একই ব্যধি!
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

নোট বাতিল: ভারতের অর্থনীতিতে একই ব্যধি!

ভারতের নোট বাতিলের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির সরকার এই নকশা বাস্তবায়ন করছিলেন তা বোধ হয় পুরোপুরি পূর্ণ হচ্ছে না। প্রকল্প চালুর ৩ মাস পরেই দেশটিতে ছেয়ে যাচ্ছে জাল টাকা।

দেশটির সংবাদ মাধ্যমগুলো দাবি করেছে, বাংলাদেশ হয়ে এসব জাল টাকা ভারতে প্রবেশ করছে।

জাল নোট

জাল নোট

হিন্দুস্তান টাইমসের খবর, গত তিন সপ্তাহে এত বেশি পরিমাণ দু হাজারের জাল নোট বাজেয়াপ্ত করেছে সীমান্ত পুলিশ, তাতে হতবাক হয়েছে প্রশাসন। কারণ, যার জন্যে ৫০০ ও হাজারের নোট বাতিল করা হয়েছিল, সেই একই ব্যধি ফের চেপে বসছে ভারতীয় অর্থনীতির ওপর।

অথচ এই জাল নোট থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্যে দেশের মানুষের ওপর চালানো হয় এত বড় অপারেশন।

৮ নভেম্বরের আগে ভারতের বাজারে ছেয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং নেপাল থেকে আসা ৫০০ ও হাজারের জাল নোটে। সূত্রের খবর ছিল ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সরকার ও জঙ্গি সংগঠনগুলো কার্যত এদেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিতেই এভাবে বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছিল জাল নোট। কিন্তু সেই একই ব্যধি যখন ফের ফিরে আসছে, তখন নিরাপত্তা সংস্থা ও প্রশাসনের কাছে সেটা বড় বিপদের সংকেত।

নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে দু হাজারের জাল নোট পাচার হচ্ছিল এদেশে। যদিও নিরাপত্তা বাহিনীর তত্পরতায় আপাতত সেই অপারেশন ভণ্ডুল হয়েছে। দিন কয়েক আগেই বিএসএফ জওয়ানরা ভারত-বাংলাদেশ থেকে জাল ১০০ টাকার নোটের অনেকগুলো বান্ডেল উদ্ধার করে।

গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে খবর, বাজারে আসা নতুন এই দু হাজারের নোট জাল হওয়া হালেই শুরু হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরবিআইয়ের তরফে নির্দিষ্ট করা ১৭টি বিশেষত্বের মধ্যে জাল নোটে ১০টি বিশেষত্ব ছাপাতে সক্ষম হয়েছে জাল নোটের কারবারিরা। তবে এই জাল নোট সংক্রান্ত আরও তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার হাতে আসবে নোটগুলো ফরেন্সিক পরীক্ষার পর।

বিএসএফ-এর তরফে প্রাথমিক পরীক্ষার পর দাবি করা হয়েছে জাল দু হাজারের নোটে কারবারিরা নোটের সামনে থাকা ছটি বিশেষত্ব নকল করতে সক্ষম হয়েছে।

এস

এই বিভাগের আরো সংবাদ