যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে রোহিঙ্গা শরনার্থীরা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে রোহিঙ্গা শরনার্থীরা

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ইন্দোনেশিয়ায় থাকা রোহিঙ্গা শরনার্থীরা। মালয়েশিয়ার স্টার  অনলাইন পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে ট্রাম্প সরকারের আলোচিত ও বিতর্কিত নতুন অভিবাসন নীতি অনুসারেই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সুযোগ পাবে রোহিঙ্গা শরনার্থীরা।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মেদানের যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক জুহা পি সালিন রোহিঙ্গাদের এই পুনর্বাসনের খবরটি নিশ্চিত করেছেন বলে স্টার অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে।rohinga

সুমাত্রা দ্বীপের ওই রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবিরে শরনার্থীদের পুনর্বাসন করতে ইতোমধ্যে সেখানে কাজ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি দল।

খবরে বলা হয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে আসা এইসব রোহিঙ্গারা যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনের জন্য প্রাথমিক সাক্ষাৎকারের পাস করেছে।

রোহিঙ্গাদের যাচাই বাচাই করতে যুক্তরাষ্ট্রের মেদান কনস্যুলের আয়োজনে এই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এই কাজে সহযোগিতা করে জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশন।

জুহা পি সালিনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য ইতোমধ্যে তিন জন রোহিঙ্গার সব ধরনের কাগজপত্রের কাজ শেষ হয়েছে।

তবে মোট কতজন রোহিঙ্গা শরনার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি জুহা পি সালিন।

তিনি জানান, খুব শিগগিরই পর্যায়ক্রমে আরও অনেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সুযোগ পাবে।

উল্লেখ, চলতি মাসের শুরুতে এক নির্বাহী আদেশে সিরিয়া, ইরাক, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং ইয়েমেনের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ওই দেশগুলোর প্রায় ১ লাখ ভিসা বাতিল করে  মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

ট্রাম্পের দেওয়া নিষেধাজ্ঞাকে চার মাসের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করে গত সপ্তাহে আগে রায় দিয়েছিল সিয়াটলের একটি আদালত। সেই রায়ই এবারও সর্বসম্মতিক্রমে বহাল রেখেছে ৩ জন বিচারকের একটি প্যানেল।

আপিল খারিজ হওয়ার পরই মার্কিন সীমান্ত কর্মকর্তাদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিষেধাজ্ঞা স্থগিত এবং ট্রাম্প প্রশাসনের আপিল খারিজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মার্কিন সীমান্তকে সুরক্ষিত করার কাজটিকে অনেক বেশি কঠিন করে তুলছে মার্কিন আদালত।

যদি কিছু ঘটে যায়, তাহলে বিচার ব্যবস্থাকে দোষারোপ করতে হবে। যদি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু হয় তাহলে, বিচারকরা এবং দেশের বিচার ব্যবস্থাই এর জন্য দায়ী থাকবে।

তবে ইন্দোনেশিয়ায় নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জোসেপ আর ডোনাভান জানিয়েছেন, তার সরকারের সিদ্ধান্ত ইন্দোনেশিয়ার মানুষ বা সে দেশে থাকা শরনার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকে প্রভাবিত করবে না।

জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের তথ্য মতে ইন্দোনেশিয়ায় এখন পর্যন্ত মোট ৮০০ রোহিঙ্গা শরনার্থী অবস্থান করছে।

টি

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ