পাকিস্তানের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরার আভাস
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পাকিস্তানের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরার আভাস

পাকিস্তানের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরে আসার একটি সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ পথে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে খতিয়ে দেখতে চলতি মাসেই দেশটিতে সফর করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিরাপত্তা প্রতিনিধি দল।

pakistan

পাকিস্তানের একটি স্টেডিয়ামে পুলিশি পাহারা।

চলতি জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে পাকিস্তানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা সম্পর্কে খোঁজ নিতে লাহোর সফর করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিরাপত্তা প্রতিনিধি দল। আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া লাহোর সফরের নেতৃত্ব দেবেন পাকিস্তান সম্পর্কিত আইসিসির বিশেষ টাস্ক ফোর্স প্রধান জাইলস ক্লার্ক।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাজাম শেঠী বলেন, ক্যারিবীয় সফরে যাওয়ার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আমাদের দেশের মাটিতে ২ বা ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এখানে ম্যাচ খেলা যাবে কি না- তা পরীক্ষা করতেই লাহোরে আসছেন জাইলস ক্লার্ক। তার সঙ্গে ক্যারিবীয় নিরাপত্তা দলের আরও কয়েকজন সদস্য থাকবেন।

তিনি জানান, পাকিস্তানে নিরাপত্তার ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতি সম্পর্কে আমরা ক্লার্ককে বিস্তারিত জানাবো আমরা।

pakistan-stadium

পাকিস্তানের স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য দেশটির ক্রিকেটপ্রেমীদের আবেদনের একটি অংশ।

ক্যারিবীয়তে পূর্ণাঙ্গ সিরিজের আগে আগামী মার্চ-এপ্রিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান ফ্লোরিডায় ২ বা ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বলে জানিয়েছেন নাজাম শেঠী।

পিসিবির এ কর্মকর্তা জানান, ২০০৯ সালের পর পাকিস্তানে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচের আয়োজন করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে পিসিবি। এ থেকে উত্তরণের জন্য ২০১৬ সালে কেপ টাউনে অনুষ্ঠিত আইসিসি কার্যনির্বাহী সভায় আন্তর্জাতিক দেশগুলোকে আবারও পাকিস্তান সফরে আসার প্রস্তাব উত্থাপন করে পিসিবি। এ প্রস্তাব পুনর্বিবেচনায় সম্মতি জানিয়েছে আইসিসি। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

pakistan

পাকিস্তানের লাহোরে পুলিশি পাহারায় নেওয়া হচ্ছে খেলোয়াড়দের বাস।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ৩ মার্চ সিরিজ চলাকালে লাহোরে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের বহনকারী একটি বাসে হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। এতে শ্রীলঙ্কা দলের ৬ জন আহত হন। পাকিস্তান পুলিশের ৬ সদস্যসহ মোট ৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর থেকে পাকিস্তানে আরও কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ