ArthoSuchak
বুধবার, ১লা এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

২০১৬ সালে প্রতিদিন সড়কে প্রাণ হারিয়েছে ১১ জন

বিদায়ী ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় সারাদেশে মারা গেছে ৪ হাজার ১৪৪ জন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৫ হাজার ২২৫ জন। এ হিসেবে প্রতিদিন সড়কে গড়ে প্রায় ১১ জন মারা গেছে।

সারাদেশের সড়ক দুর্ঘটনার উপর করা এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাসটি টেনে তোলা হচ্ছে। ছবি সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাসটি টেনে তোলা হচ্ছে। ছবি সংগৃহীত

আজ রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিসচা। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন চিত্রনায়ক ও নিসচার চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অশিক্ষিত চালক, ক্রটিপূর্ণ যানবাহন, দুর্বল ট্রাফিক ব্যাবস্থাপনা, জনগণের অসচেতনতা, অনিয়ন্ত্রিত গতি, সড়কের অপর্যাপ্ততা, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না করার কারণে বেশিরভাগ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে।

নিসচা বলছে, ২০১৫  সালের তুলনায় ২০১৬ সালে নিহতের হার এবং দুর্ঘটনার সংখ্যাও কমেছে। ২০১৫ সালে নিহত হয় ৫ হাজার ৩ জন; সে অনুযায়ী ২০১৬ সালে নিহতের হার কমেছে ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

এছাড়া ২০১৬ সালে মোট দুর্ঘটনার সংখ্যা ২ হাজার ৩১৬টি, যা ২০১৫ সালের তুলনায় ৩১০টি কম।

২০১৬ সালে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ট্রাকের । অনিয়ন্ত্রিত গতি, চালকের অসাবধানতা, মোবাইলফোনে কথা বলার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাস দুর্ঘটনার সংখ্যা ৭১০টি, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরির দুর্ঘটনা ৬৬২টি, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের দুর্ঘটনা ১৯২টি, অটোরিকশা, ইজিবাইক, লেগুনা নসিমন, টেম্পু, ভটভটি, আলমসাধু ও মহেন্দ্রসহ অবৈধ যানবাহনের দুর্ঘটনা ৩৮৭টি এবং মোটরসাইকেলে ২৪৯টি।

এছাড়া রেললাইন পার হওয়ার সময় রেলক্রসিং এ বিভিন্ন যানবাহনসহ রেল দুর্ঘটনা ও কাটা পড়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৮৪টি।

অর্থসূচক/মুন্নাফ

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ