ডরিনের শেয়ারে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে বিএসইসির তদন্ত কমিটি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ডরিনের শেয়ারে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে বিএসইসির তদন্ত কমিটি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমসের শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির পেছনে কারসাজি থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিএসইসি আজ রোববার দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

doreen power

ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের লোগো। ছবি সংগৃহীত

বিএসইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ, মাত্র ৮ কর্মদিবসে এই শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় ৭৬ শতাংশ।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- কমিশনের উপ পরিচালক মো. শামসুর রহমান ও মোস্তারি জাহান।

সম্প্রতি কোম্পানিটির অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি ও বিএসইসির সার্ভিল্যান্সে কিছু অ্যালার্ট পাওয়ায় এই কমিটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসইসি।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান অর্থসূচককে বলেন, গত কয়েক দিনে কোম্পানিটির শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে ২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ অক্টোবর কোম্পানির প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়েছিল ৭০ টাকা ১০ পয়সায়। আজ রোববার শেয়ারটির সর্বশেষ লেনদেন হয় ১২৩ টাকা ৭০ পয়সায়। দিনের লেনদেনের এক পর্যায়ে এটি ১৩০ টাকা ৭০ পয়সায় উঠে যায়।  মাত্র ৮ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৭৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ বোনাস ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ।

এদিকে কোম্পানিটির সর্বশেষ প্রান্তিকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) সম্পর্কেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৬) ডরিন পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৩৬ পয়সা। এই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ৫১৭ শতাংশ।

গত বছর প্রথম প্রান্তিকে ডরিন পাওয়ারের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৬৬ মেগাওয়াট। পরে কোম্পানিটির দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে আসায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আরও ১১০ মেগাওয়াট বা ১৬৬ শতাংশ বেড়েছে। স্বাভাবিক হিসেবে ইপিএসও এর কাছাকাছি হারে বাড়ার কথা। কিন্তু ইপিএস তার ৩ গুণ বেশি দেখানো হয়েছে।

অর্থসূচক/এসইউএম/জিইউ

এই বিভাগের আরো সংবাদ