'আনারস পেঁয়ারা চালতা আমলকির বড় বাজার মধ্যপ্রাচ্যে'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘আনারস পেঁয়ারা চালতা আমলকির বড় বাজার মধ্যপ্রাচ্যে’

আনারস, পেঁয়ারা, চালতা, আমলকি, তেঁতুল থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের ফলমূলই রপ্তানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। এছাড়া সবজির মধ্যে আলু, পটল, ঢেঁড়স এমনকি কলার মোচাও যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এসব ফলমূল ও শাক-সবজির বড় বাজার বলে জানিয়েছেন রপ্তানি সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে আজ রোববার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী খাদ্য মেলা। মেলায় রপ্তানিযোগ্য ফলমূল, শাক-সবজি এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসহ নানা ধরনের দেশিয় খাদ্য প্রদর্শন করছেন উদ্যোক্তারা।

রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রাঙ্গণে আজ রোববার শুরু হয়েছে খাদ্য মেলা। ছবি মহুবার রহমান

রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রাঙ্গণে আজ রোববার শুরু হয়েছে খাদ্য মেলা। ছবি মহুবার রহমান

মেলায় রপ্তানিযোগ্য ফলমূল ও শাক-সবজির প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি আইটেম প্রদর্শন করছে হর্টিকালচার এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। এসব ফলমূলের মধ্যে রয়েছে আনারস, পেঁয়ারা, চালতা, কামরাঙ্গা, আমড়া, বেল, বাতাবি লেবু, কদবেল, তেঁতুল, আমলকিসহ নানা ধরণের ফলমূল। শাক-সবজির মধ্যে রয়েছে আলু, পটল, ঢেঁডস, লাউ, কলার মোচা এবং মরিচসহ অনেক শাক-সবজি।

food-fair-2

রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রাঙ্গণে আজ রোববার শুরু হয়েছে খাদ্য মেলা। ছবি মহুবার রহমান

মেলা প্রাঙ্গণে কথা হয় হর্টিকালচার এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার আবদুল মতিন মোল্লার সঙ্গে। তিনি অর্থসূচককে বলেন, আমাদের দেশিয় ফলমূল এবং শাক-সবজির বড় বাজার রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। এছাড়া মালয়েশিয়া, জাপান এবং চীনেও রপ্তানি হয় আমাদের খাদ্যপণ্য।

তিনি বলেন, রপ্তানিযোগ্য খাদ্যপণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় আলু। এছাড়া সাতকরা ও লেবু যাচ্ছে লন্ডনে। বাদামী তিল এবং সাদা তিল রপ্তানি হয় জাপান, চীন এবং ফান্সে।

food-fair

রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রাঙ্গণে আজ রোববার শুরু হয়েছে খাদ্য মেলা। ছবি মহুবার রহমান

হর্টিকালচার এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন সম্পর্কে এই কর্মকর্তা বলেন, খাদ্যপণ্য রপ্তানিকারকদের পণ্য রপ্তানিতে নানা ধরণের সহযোগিতা করে থাকে এই ফাউন্ডেশন। রপ্তানি পণ্যের প্যাকেজিংসহ রপ্তানি উন্নয়নের সকল কাজ আমরাই করি।

জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থার সহযোগিতায় এই মেলার আয়োজন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। মেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন সংস্থা, কৃষি ও খাদ্য সংস্থার স্টল ছাড়াও কৃষিজ পণ্য উৎপাদনকারী বিভিন্ন শিল্পোদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেছে এই মেলায়।

মেলায় মোট স্টল ২০টি। এ সব স্টলে বিভিন্ন কৃষি পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে গত ৭ বছরে এ খাতের অগ্রগতিও তুলে ধরা হচ্ছে। আগামী ১৮ অক্টোবর মেলা শেষ হবে।

অর্থসূচক/মেহেদী/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ