এইচএফসি নিঃসরণ কমাতে ঐক্যমতে ১৫০ দেশ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

এইচএফসি নিঃসরণ কমাতে ঐক্যমতে ১৫০ দেশ

বায়ুমণ্ডলের গ্রীণহাউজ ইফেক্ট সৃষ্টিকারী অন্যতম গ্যাস হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (এইচএফসি) নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে এক মতে পৌঁছেছে বিশ্বের ১৫০টি দেশ। গতকাল শুক্রবার আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় দেশগুলো এ সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে সই করেছে।

চুক্তিতে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো দরিদ্র দেশগুলোর তুলনায় দ্রুত এই ক্ষতিকর গ্যাসটি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।climatechange-pact

চুক্তির বিষয়ে বলতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন ক্যারি বলেছেন, এইচএফসি গ্যাস আমাদের জলবায়ুর জন্য ভয়ংকর দুর্যোগ। এই গ্যাস নিঃসরণে ঐক্যমতে পৌঁছানো একটি মাইলফলক।

রুয়ান্ডায় সই হওয়া এই চুক্তির মধ্য দিয়ে প্যারিস বৈশ্বিক জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রসঙ্গত, গত বছর প্যারিস বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের কমানোর লক্ষ্যে ১৭৫টি দেশ সম্মত হয়।

এই ঘটনাকে অনেক পর্যবেক্ষকই ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ বলে বর্ণনা করছেন। এর আগে ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রটোকলে হাতে গোনা কয়েকটি দেশকে ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ ঠেকানোর লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। কিন্তু সেই প্রটোকল থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। বাকীরাও লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়।

অবশ্য বিজ্ঞানীরা বলছেন পৃথিবীতে আসন্ন বিপজ্জনক জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে প্যারিস চুক্তিকে অবশ্যই কার্যকর করতে হবে।

চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।

গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।

প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।

জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

এই বিভাগের আরো সংবাদ