এশিয়ায় ব্যাপকভাবে জিকা ছড়ানোর আশঙ্কা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

এশিয়ায় ব্যাপকভাবে জিকা ছড়ানোর আশঙ্কা

বিশ্বের সাম্প্রতিক সময়ের বড় আতঙ্কের নাম জিকা ভাইরাস। লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলসহ বিশ্বের ৭০টি দেশে পাওয়া গেছে মশকবাহিত এই ভাইরাসের অস্তিত্ব। এর মধ্যে এশিয়ার দেশ রয়েছে ১৯ টি।

‘জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে লাগবে ১ দশক’

‘জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে লাগবে ১ দশক’

সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক খবর অনুসারে সিঙ্গাপুরে কয়েকশ মানুষের দেহে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে। অপুষ্ট মাথা নিয়ে জন্মেছে থাইল‌্যান্ডের কয়েকটি শিশু।

এই অবস্থায় মশাবাহিত জিকা ভাইরাস পুরো এশিয়াজুড়ে ‘ব্যাপকভাবে’ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ‌্য সংস্থা।

ফিলিপাইনের ম‌্যানিলায় বিশ্ব স্বাস্থ‌্য সংস্থার বার্ষিক সভায় এর মহাপরিচালক মার্গারেট চান এই সংক্রমণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে।

তিনি বলেছেন, এই ভাইরাস ঠেকাতে গবষেকরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু দুর্ভাগ‌্যজনক হলেও সত্য যে এই ভাইরাসটি সম্পর্কে এখনও অনেক জটিল প্রশ্নের উত্তর অজানা রয়ে গেছে।

এমনিতে জিকা ভাইরাস প্রাণঘাতী না হলেও গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে এর ফল হতে পারে মারাত্মক। তার শিশুর জন্ম হতে পারে অপুষ্ট মস্তিষ্ক বা বড় ধরনের ত্রুটি নিয়ে।

উল্লেখ, এই ভাইরাসের সংক্রমণের আশঙ্কায় আগে একবার বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিল বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। গত এপ্রিল মাসে ই-লাইফ জার্নাল সতর্ক করে উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোসহ   সারা বিশ্বের প্রায় ২২০ কোটি মানুষ জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।

সাধারণত মশা-বাহিত জিকা ভাইরাস দ্বারা গর্ভবতী মায়েরা আক্রান্ত হলে শিশু বিকৃত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মাতে পারে। কিন্তু এর থেকে মুক্তি পেতে এখনও কোনো প্রতিষেধক তৈরি হয়নি। গবেষকেরা বলছেন, জিকা ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দশ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে।

গবেষকদের বক্তব্য অনুসারে জিকা ডেঙ্গু, জাপানি এনসেফ্যালাইটিস, ইয়োলো ফিভার গোত্রীয় ভাইরাস। এর প্রথম সন্ধান মেলে ১৯৪৭ সালে আফ্রিকার উগান্ডায় জিকা অরণ্যের রিসাস বাঁদরের শরীরে। মানুষের দেহে এটি প্রথম পাওয়া যায় ১৯৬৮ সালে।

জিকা ভয়াবহ আকার ধারন করে ২০০৭ সালে। ফিলিপিন্সের কাছে ইয়াপ দ্বীপপুঞ্জের চার ভাগের তিন ভাগ গ্রাস করে ফেলে এই ভাইরাস। এরপর ২০১৩ সালে এটির দেখা মেলে তাহিতি দ্বীপ ও পলিনেশিয়ায়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ