'৫০% ব্যয় কমিয়ে সিঙ্গাপুরে লোক পাঠানো সম্ভব'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘৫০% ব্যয় কমিয়ে সিঙ্গাপুরে লোক পাঠানো সম্ভব’

আনঅথরাইড রিক্রুটিং এজেন্সি কিংবা মধ্যস্বত্ত্বভোগিদের কারণে সিঙ্গাপুরে অভিবাসন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। তবে একটা কমিয়ে জনশক্তি রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করে সিঙ্গাপুর ভিত্তিক কোম্পানি ভারসাগি ম্যানেজমেন্ট (প্রাঃ) লিমিটেড। এর জন্য সরকারিভাবে উদ্যোগের নেওয়ার সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।unnamed

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় এক হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ভিক্টর লি। কীভাবে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে এনে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করা সম্ভব তার একটা রূপরেখা উপস্থাপন করেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ১ জন শ্রমিককে সিঙ্গাপুর যেতে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। যেই টাকা উঠাতে ওই শ্রমিকের প্রায় ৩ বছর লেগে যায়। কোনো কারণে যদি ১ বছরের মধ্যে চলে আসতে হয়; তবে বড় একটা অর্থ তাকে হারাতে হচ্ছে। যা কারো জন্য কাঙ্খিত নয়।

তার মতে এমনটি হওয়ার বড় কারণ হলো আনঅথরাইড রিক্রুটিং এজেন্সি কিংবা মধ্যস্বত্ত্বভোগিরা এখান থেকে বেশি লাভবান হচ্ছে। তারা বেশি অর্থ ব্যয় করে সিঙ্গাপুরী কোম্পানিগুলো থেকে ভিসা নিচ্ছে। এতে করে গরীব অভিবাসনগামীরা গতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিমাসে সিঙ্গাপুরগামী কর্মীর সংখ্যা কমেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এনিয়ে বসেছি। সেখানে কিছু প্রস্তাবনাও দিয়েছি। এর মধ্যে, বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হবে। সেখানে সিঙ্গাপুরগামী সব কর্মী ও রিক্রুটিং লাইসেন্সধারীরা তাদের কর্মীদের নাম লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। যা সিঙ্গাপুরের সব কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তারা নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার নিশ্চিত করতে পারবেন।

এই পদ্ধতিতে সরকার একটা ফি নির্ধারণ করে দেবেন। সেই অনুযায়ী অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এতে করে প্রায় ৫০ শতাংশ অভিবাসন ব্যয় কমে আসবে। সরকার এখানে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করলে আনঅথরাইড রিক্রুটিং এজেন্সি কিংবা মধ্যস্বত্ত্বভোগিদের দৌরাত্ম কমে আসবে।

তিনি বলেন, এতে সিঙ্গাপুরগামী বাংলাদেশী কর্মীদের ডাটা ব্যাংক তৈরি হবে। জনশক্তি রপ্তানি আরও বাড়বে। আর সিঙ্গাপুরের কোম্পানিগুলো কর্মী নিতে আরও আগ্রহী হবে।

অর্থসূচক/ মাহমুদ

এই বিভাগের আরো সংবাদ