‘ব্লু-ইকোনমি অর্থনীতিতে অসাধারণ ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে’
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘ব্লু-ইকোনমি অর্থনীতিতে অসাধারণ ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে’

ব্লু ইকোনমি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি অসাধারণ ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ বুধবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে পরিকল্পনা বিভাগ আয়োজিত ব্লু ইকোনমি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আজ বুধবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে পরিকল্পনা বিভাগ আয়োজিত ব্লু ইকনোমি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

আজ বুধবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে পরিকল্পনা বিভাগ আয়োজিত ব্লু ইকনোমি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগাতে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন অপরিহার্য। চীন, কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, সিসিলিসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ব্লু ইকোনমিকে কাজে লাগিয়ে নিজ নিজ অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখছে। তারা পারলে আমাদেরকেও পারতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের রপ্তানি বাণিজ্য একটি খাতের ওপর নির্ভরশীল। এ পরিস্থিতিতে বহুমাত্রিকতা আনা প্রয়োজন। এজন্য সবাইকে সমুদ্র সম্পদ আহরণের পদ্ধতি জানতে হবে। অন্যদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমাদের বিপুল সম্পদ আহরণে কাজ করতে হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ভারত ও মায়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ার পর বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অর্থনৈতিক এলাকা সম্প্রসারিত হয়েছে। দেশের মূল ভুখণ্ডের সমপরিমাণ (প্রায় ৮১ ভাগ) সমুদ্র থেকে সম্পদ আহরণের যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাই সমুদ্রের পরিবেশ ও প্রতিবেশ নষ্ট না করে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে সম্ভাব্য সব কিছু করা হবে।

তিনি বলেন, উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশাল সমুদ্র সম্পদের মালিক বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ২০১২ সালের পর থেকে আমাদের এ অপার সম্ভাবনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ব্লু-ইকনোমি বিষয়ক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানান মুস্তাফা কামাল ।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে পরিকল্পনা বিভাগ আয়োজিত ব্লু ইকোনমি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। পরিকল্পনা সচিব তারিক উল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ম্যারিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব মো. খুরশেদ আলম ।

অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, বাংলাদেশ ভূ-ত্বাত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসূচক/মাইদুল/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ