'উন্নয়নের নামে ময়ূর নদী দখল নয়'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

‘উন্নয়নের নামে ময়ূর নদী দখল নয়’

একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় গোটা খুলনা মহানগরী। জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনে খুলনাবাসী ২২টি খালের ওপর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের দাবি জানিয়ে আসছে।এতে কিছুটা হলেও দখলমুক্ত হয়েছে এসব খাল। এসব কাজের অগ্রভাগে ছিল খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)। কিন্তু এখন সেই কেসিসি লিলিয়ার পার্কের প্রকল্প দেখিয়ে ময়ূর নদীতে স্থাপনা তৈরি করছে।

আজ বৃহস্পতিবার নগরীর গল্লামারী সেতুতে ময়ূর নদীর উপর কেসিসির স্থাপনা তৈরির প্রতিবাদে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এমনই অভিযোগ জানালেন ব্ক্তারা। নদী দখলের অংশটুকু বাদ দিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা সৌন্দর্যের কোনো হানি হবে না বলেও মনে করেন তারা।

আজ বৃহস্পতিবার ময়ূর নদীর উপর কেসিসির স্থাপনা তৈরীর প্রতিবাদে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। ছবি: শিউলী রহমান

আজ বৃহস্পতিবার ময়ূর নদীর উপর কেসিসির স্থাপনা তৈরীর প্রতিবাদে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। ছবি: শিউলী রহমান

জনউদ্যোগ ও সেফ যৌথভাবে এ মানবন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির খুলনা মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদৎ। পরিচালনা করেন জনউদ্যোগের সদস্য সচিব মহেন্দ্র নাথ সেন ও সেফের মো. আসাদুজ্জামান।

মানববন্ধনে এইচ এম শাহাদৎ বলেন, ময়ূর নদীর অনেক স্থান ইতোমধ্যেই প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে। আর এ স্থাপনা নির্মিত হলে নদীটি আস্তে আস্তে ধ্বংস হয়ে যাবে। ময়ূর নদী খুলনার একমাত্র নদী যে নদী দিয়ে নগরীর পানি নিষ্কাশিত হয়। সিটি কর্পোরেশনের উচিত নদীটি রক্ষা করা।

জাসদের মহানগর সাধারণ সম্পাদক খালিদ হোসেন বলেন, আমরা উন্নয়নের বিপক্ষে নয়; তবে উন্নয়নটি হতে হবে পরিকল্পিত। নগরে গল্লামারী ব্রিজটি অপরিকল্পিত ভাবে নির্মিত হওয়ায় এর যন্ত্রণা খুলনাবাসীকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হবে। ময়ূর নদী ভেতরে নির্মিত কেসিসির ‘অবৈধ স্থাপনা’ উচ্ছেদ না করলে খুলনাবাসী আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি।

mayur-riverতিনি আরও বলেন, নদী ধ্বংস করে কোনো উন্নয়ন হতে পারে না। হাইকোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা করা কোনোভাবেই ঠিক নয়। অবিলম্বে নদীর ভেতরের স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার দাবি জানান।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাসদের মহানগর সাধারণ সম্পাদক খালিদ হোসেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা এস এম ফারুখ-উল-ইসলাম, নারী নেত্রী সিলভী হারুন, আমরা খুলনাবাসীর নেতা মাহাবুবুর রহমান খোকন, খুলনা পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব এসএম সোহরাব হোসেন, সাংবাদিক দেবনাথ রনজিৎ কুমার রনো, গ্লোবাল খুলনার আহবায়ক শাহ মামুনর তুহিন, ছায়াবৃক্ষের প্রধান নির্বাহী মো. মাহাবুবুল আলম বাদশা, সাংস্কৃতিক কর্মী নাসিম রহমান কিরণ, দিলীপ মণ্ডল, মো. মাহাবুব আলম, শ্যামল সরকার, এস এম সিরাজুল ইসলাম, রেবা বেগম , জয়া শর্মা, সেফের দীপক কুমার দে, মাহামুদা ইয়াসমীন, সুব্রত সাহা প্রমুখ।

শিউলী/এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ