সামিট ইস্যুর অবসান হতে পারে কাল
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

সামিট ইস্যুর অবসান হতে পারে কাল

পুঁজিবাজারে জ্বালানি খাতের কোম্পানি সামিট পাওয়ার লিমিটেডকে নিয়ে করা কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বুধবার। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক গঠিত কমিটি চেয়ারম্যানের কাছে এই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বিএসইসির ৫৮৩ তম কমিশন সভায় তদন্ত প্রতিবেদন তোলা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সামিট পাওয়ারের সঙ্গে এ গ্রুপের তিন কোম্পানি একীভূতকরণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া জটিলতায় উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে বন্ধ আছে কোম্পানির লেনদেন। একই সঙ্গে বিএসইসি ও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ গঠন করেছে আলাদা তদন্ত কমিটি।

বিএসইসির অভিযোগ, কোম্পানিটি একীভুতকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধিবিধান সঠিকভাবে অনুসরণ করেনি। বিশেষ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে কোম্পানিটি মূলধন বাড়ানোর অনুমতি নেয়নি। কিন্তু কোম্পানি দুটি একীভূত হওয়ার কারণে সামিট পাওয়ারের পরিশোধিত মূলধন নিশ্চিতভাবেই বাড়বে। তাই একীভুতকরণ সম্পন্ন করার আগেই মূলধন বাড়ানোর অনুমতি নেওয়া অপরিহার্য। তবে লেনদেন বন্ধ করার পর গত ২৮ আগস্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কাছে মূলধন বাড়ানোর আবেদন করেছে কোম্পানিটি।

সামিট ইস্যুতে বিএসইসির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের এক কর্মকর্তা অর্থসূচককে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর যে কমিশন সভা হবে সেখানে এর সমাধান করা হবে। এ হিসাবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর আগামী কাল বৃহস্পতিবার হলো প্রথম কমিশন সভা। আর এই সভা থেকে এর সমাধানের সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

জানা গেছে, সামিট পাওয়ার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা দরে ১৯ কোটি ১৮ লাখ ৭৬ হাজার ৫১৮ টি শেয়ার ইস্যু করে ১৯১ কোটি ৮৭ লাখ ৬৫ হাজার ১৮০ টাকা মূলধন বাড়াতে চায়।

জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২২৮ ও ২২৯ ধারা অনুসারে উচ্চ আদালতে ৩ কোম্পানিকে সামিট পাওয়ারের সঙ্গে একীভূতকরণের অনুমোদন চাওয়া হলে শর্তসাপেক্ষে গত ১৪ জুলাই সামিট গ্রুপের ৩ কোম্পানির একীভূতকরণের চূড়ান্ত অনুমতি দেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমদের বেঞ্চ। এর আগে বিধি মোতাবেক বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিরও অনুমোদন নেয় কোম্পানি দুটি।

সামিট পূর্বাঞ্চলের একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৩০৯টি শেয়ার পাবেন শেয়ারহোল্ডাররা।সামিট উত্তরাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানির একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৬৬৮টি এবং সামিট নারায়ণগঞ্জ পাওয়ারের একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৪৭৫টি শেয়ার দেওয়া হয়।

২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে গত মঙ্গলবার বাজার থেকে থেকে তালিকাচ্যুত (ডি-লিস্টেড) করার সিদ্ধান্ত নেয় দুই স্টক এক্সচেঞ্জ।

অর্থসূচক/গিয়াস

এই বিভাগের আরো সংবাদ