১৫০ বছরের শব্দ সমস্যার সমাধান
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

১৫০ বছরের শব্দ সমস্যার সমাধান

স্বামী স্ত্রী ঝগড়ার সময় একে অন্যের কথা শুনতে পারেন; একইসঙ্গে পাড়াপড়শীরাও ঝগড়ার সময় তাদের কথা শুনতে পারেন। কিন্তু দুজন পুরুষ কিংবা দুজন নারী যখন ঝগড়া করেন, তখন কেউ কারও কথা শুনতে পান না। এই জন্যেই বোধ হয় ঝগড়ার মাঝ পর্যায়ে কেউ একজন বলে ওঠে ‘অ্যাঁ! পোড়ার মুখো, আমায় কী বললি? আরেকবার বল।’

পুরুষ এবং নারীর কণ্ঠস্বরের তীক্ষ্ণতার পার্থক্য থাকার কারণে ভিন্ন লিঙ্গের দুই ব্যক্তির মধ্যে ঝগড়া কিংবা উচ্চবাচ্য স্পষ্টভাবে শোনা যায়। আবার দুজন পুরুষ এবং দুজন নারীর কণ্ঠের তীব্রতায় তেমন পার্থক্য থাকে না। ফলে যদি দুজন ব্যক্তি পরস্পরের প্রতি একই তীক্ষ্ণতায় (কণ্ঠ স্বর) চিৎকার করে তবে কেউই কারো চিৎকার শুনতে পারেন না। অর্থাৎ নিজের আওয়াজ অন্যের আওয়াজকে বাধা দেয়।radio-frequency

একইভাবে দুটি রেডিও’র তরঙ্গ গ্রহণ ও ছাড়ার জন্য সব সময় দুটি পৃথক ফ্রিকোয়েন্সির প্রয়োজন হয়। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির এই তত্ত্বটির কারণ উন্মোচন করে বিশ্ববাসীকে আশ্চর্য করেছেন দীনেশ ভাদারিয়া। এর মাধ্যমে ১৫০ বছরের রেডিও তরঙ্গ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করলেন ২৮ বছর বয়সী ওই তরুণ।

কানপুর আইআইটি থেকে স্নাতক এবং আমেরিকার স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি শেষ করে ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে কর্মরত ভারতীয় বংশোদ্ভুত এই বিজ্ঞানী।

dinesh-vadaria

ভারতীয় তরুণ বিজ্ঞানী দীনেশ ভাদারিয়া।

নিজের আবিষ্কার সম্পর্কে দীনেশ বলেন, বিষয়টি শুনতে অনেক হাল্কা মনে হচ্ছে। কিন্তু এটি প্রমাণ করা অনেক কঠিন ছিল। মূলত সাধারণ সিগন্যাল থেকে কয়েক মিলিয়ন গুণ বেশি শক্তিশালী হয় রেডিও সিগন্যাল। ফলে এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা বেশ কঠিন ছিল।

এ আবিষ্কারের পুরস্কার হিসেবে আগামী নভেম্বরে মার্কোনি সোসাইটি পল বাড়ান ইয়ঙ্গ স্কলার অ্যাওয়ার্ড পেতে যাচ্ছেন দীনেশ ভাদারিয়া।

অর্থসূচক/মিঠুন/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ