প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় বিএসইসির নতুন ভবন
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় বিএসইসির নতুন ভবন

bsec

নির্মানাধীন বিএসইসি ভবনের স্থাপত্য নকশা

স্থানান্তর হচ্ছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কার্যালয়।মতিঝিল থেকে থেকে আগারগাঁওয়ের নিজস্ব ভবনে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।ইতোমধ্যে ভবনের সব কাজ মোটামুটি শেষ পর্যায়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবনটি উদ্বোধন করবেন বলে আশা করছেন কমিশন। তার কাছ থেকে এখন উদ্বোধনের সময়সূচির অপেক্ষায় আছেন তারা।

২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর এই ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই থেকেই পুরোদমে চলছে নতুন ভবনের প্রস্তুতির কাজ। আগামী নভেম্বর মাসে নতুন কার্যালয়ে যেতে পারে সংস্থাটি।

নতুন ভবন উদ্বোধনের বিষয়ে বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন অর্থসূচককে বলেন, আমাদের ভবনের কাজ মোটামুটি শেষ। প্রধানমন্ত্রীর সিডিউলের অপেক্ষায় আছি। তিনি এ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, তিনিই ভবনটি উদ্বোধন করবেন বলে আশা করছি।

সরেজমিনে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির নির্মাণাধীন ভবনে দেখা যায়, ১০ তলা ভবনের সম্পূর্ণ কনস্ট্রাকশনের কাজ শেষ হয়ে গেছে।

তবে আন্ডারগ্রাউন্ড, গ্রাউন্ড ফ্লোর ও ৫ তলার টাইলস, প্লাস্টার, গ্লাস এবং বিদ্যুতের ওয়েল্ডিংয়ের কিছু কাজসহ ভবনের ফিনিশিংয়ের কাজ পুরোপুরি বাকি রয়েছে।

bsec-bhaban-1

নির্মাণাধীন বিএসইসি ভবন

 মিস্ত্রী লাল্টু অর্থসূচককে জানান, ৫ তলা এবং গ্রাউন্ড ফ্লোর বাদে সব ফ্লোরের ওয়েল্ডিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

ভবনের ১০ তালায় কর্মরত টাইলস মিস্ত্রি লিটন অর্থসূচককে বলেন, কাজ তো দৌড়ানোর মতো এগোচ্ছে। তবে নিচ তলা এবং ৫ তলার টাইলসের কাজ সম্পূর্ণ বাকি আছে। আর ১০ তলার কাজ ২-৩ দিনের মধ্যে শেষ হবে।

তবে আগামী ৩ মাসের মধ্যে পুরো ভবনের টাইলসের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

দেখা যায়, ভবনের গ্রাইন্ড ফ্লোরে এখনও কিছু কনস্ট্রাকশনের কাজ চলছে। তবে জানালা-দরজা, লিফট, টয়লেট এবং জাবতীয় ফিনিশিংয়ের কাজ বাদে ভবন এখন প্রায় প্রস্তুত।

এ ব্যাপারে কথা হয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলামরে সাথে। তিনি অর্থসূচককে বলেন, আমাদের লক্ষ্য অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে শেষ করা। তবে এর মধ্যে শেষ না হলে ডিসেম্বরের মধ্যে সব কাজ শেষ হবে।

তিনি বলেন, ভবনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, কনস্ট্রাকশনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন ফিনিশিং, বিদ্যুৎ, গ্লাস এবং টাইলসের কাজ চলছে। আশা করছি আগামী বছরের প্রথম মাস থেকে এখানে পুরোদমে কাজ শুরু করা যাবে।

অর্থসূচক/মুন্নাফ/গিয়াস

এই বিভাগের আরো সংবাদ