ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম সর্বোচ্চ ৫০ টাকা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম সর্বোচ্চ ৫০ টাকা

ঢাকায় জন্য কোরবানির গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট সর্বোচ্চ ৫০ টাকা নির্ধারণ করেছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা।

আজ শুক্রবার রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডির একটি হোটেলে চামড়া ব্যবসায়ীদের ৩টি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। চামড়া ব্যবসায়ীদের সংগঠন ফিনিশড লেদার লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টারস এসোসিয়েশন (বিএফএলএলএফইএ), বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন (বিটিএ) ও বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএইচএসএম) যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

tanners

ধানমণ্ডির একটি হোটেলে চামড়া ব্যবসায়ীদের ৩টি সংগঠনের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন।

এতে আরও জানানো হয়েছে, এবার কোরবানি দেওয়া খাসির লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। এছাড়া বকরির লবণযুক্ত চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৫ টাকা দরে কেনা হবে।

২০১৫ সালের কোরবানির সময় ট্যানারি ব্যবসায়ীরা ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়া ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় কিনেছিলেন। প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত মহিষের চামড়ার দাম ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা; আর খাসির লবণযুক্ত চামড়া ২০ থেকে ২২ টাকা এবং বকরির চামড়া ১৫ থেকে ১৭ টাকায় সংগ্রহ করা হয়েছিল।

বিটিএ চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দামে ৩০ শতাংশ দরপতন হয়েছে। অন্যদিকে গত বছরের ৩০ শতাংশ চামড়া এখনও গুদামে পড়ে আছে । আমরা চেয়েছিলাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৩০ শতাংশ দাম কমাতে। কিন্তু বাণিজ্যমন্ত্রীর অনুরোধ মাত্র ১০ শতাংশ দাম কমানো হয়েছে।

সাংবাদিকের এক পশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাজারীবাগ ও সাভার দুই জায়াগাতেই চামড়া যাবে। হাজারীবাগে চামড়া ঢুকতে না দিলে, চামড়া পচে যাবে। এতে পরিবেশের ক্ষতি আরও বাড়বে। এছাড়া জাতীয় সম্পদ পাচারের আশঙ্কাও বেড়ে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএফএলএলএফইএ সভাপতি মহিউদ্দিন মাহমুদ মাহিন বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দরপতন এবং গত বছরের চামড়া মজুদ থাকায় ওই বিষয়গুলো চামড়ার দাম নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করেছে।

প্রসঙ্গত, আগের কয়েক বছরের মতো এবারও চামড়ার দাম নির্ধারণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। তবে সরকারের কঠোর নির্দেশে অবশেষে দাম নির্ধারণ করতে বাধ্য হন তারা। অবশেষে গত বছরের মতো এবারও যৌথভাবে দাম নির্ধারণ করে বিএফএলএলএফইএ, বিটিএ এবং বিএইচএসএম।

অর্থসূচক/আজম/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ