জিপি অ্যাকসেলেরেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

জিপি অ্যাকসেলেরেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু

এসডি এশিয়ার সহযোগিতায় প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা স্থানীয় প্রযুক্তি স্টার্টআপগুলোকে সহায়তা করতে গ্রামীণফোন (জিপি) অ্যাকসেলেরেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিকে গ্রামীণফোন সেন্টারে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের উপস্থিতিতে এ ব্যাচের যাত্রা শুরু হয়।

জিপি অ্যাকসেলেরেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু

জিপি অ্যাকসেলেরেটরের দ্বিতীয় ব্যাচের যাত্রা শুরু

জানা গেছে, ৪ মাসের এই কর্মসূচিতে এসব উদ্যোক্তাদের অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। ব্যবসা শুরু করার জন্য স্টার্টআপগুলোকে (নতুন উদ্যোক্তা) ১১ লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেয়া হয়। পাশাপাশি, স্টার্টআপগুলো জিপি হাউজের ভেতরে কাজ করার সুযোগ পায়। জিপি অ্যাকসেলেরেটর স্টার্টআপগুলোর ব্যবসা বিস্তৃতির জন্য এ শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়। নির্দিষ্ট সময়ে দলভিত্তিক এ কর্মসূচি, তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক মডেলকে আরও কার্যকরী করে তোলা, বিনিয়োগে সমর্থ এবং ব্যবসাকে নতুন মাত্রা দেয়ারও সুযোগ করে দেয়।

শীর্ষ এই ৫ স্টার্টআপ হলো-
ক্র্যামস্স্ট্যাক: একটি ডাটা অ্যানালিটিকস প্ল্যাটফর্ম। যা অ্যানালিটিকস পাইপলাইন ও মডেল ব্যবহারের মাধ্যমে এন্টারপ্রাইজ ডাটা থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে।
সোসাইনঃ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে মানুষজন ব্র্যান্ড সম্পর্কে কি বলছে এবং কি ভাবছে এ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে তথ্য সংগ্রহ করার অ্যানালিটিক প্ল্যাটফর্ম। সোসাইন হচ্ছে, সোশ্যাল অ্যানালিটিকস।
সিএমইডিঃ এটি কম খরচে ও সাশ্রয়ী উপায়ে স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে জানতে বাংলাদেশের মানুষের জন্য ক্লাউড ভিত্তিক মেডিকেল ব্যবস্থা। যা স্বাস্থ্যঝুঁকি ও মেডিকেল খরচ কমিয়ে আনবে।
বাজঅ্যালিঃ ব্র্যান্ডগুলোর জন্য মোবাইল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করে। গ্রাহকদের ব্র্যান্ড সম্পর্কে আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দিতে অডিয়েন্স টার্গেটিং নিয়ে কাজ করে। এদের প্রথম উদ্ভাবনী পণ্যটি হচ্ছে মিসড কল মার্কেটিং।
ঘুরিঃ বাংলাদেশ ও দেশের বাইরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী হোটেল ও ট্যুর প্যাকেজ রিজার্ভেশন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। বিস্তারিত অনুসন্ধানের জন্য যোগাযোগ করুন: মো: হাসান, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার-পিআর।

অনুষ্ঠানে তারানা হালিম বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এবং এদেশের তরুণদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ দিতে পারে। যা তরুণদের জঙ্গীবাদের প্রভাবমুক্ত থাকতে সাহায্য করবে। সরকার এসব তরুণ প্রজন্মকে সহায়তা দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তরুণদের হতাশ হলে চলবে না। সফলতার পথ কখনও মসৃণ হয় না। চলার পথে বাঁধা থাকবেই; তারপরও এগিয়ে যেতে হবে।

“তবে শুধু নতুন নতুন সেবা উদ্ভাবন করলেই হবে না। এসবের পাশাপাশি দেশিয় এবং আন্তর্জাতিক বাজার তৈরি করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব শেঠি, গ্রামীণফোনের হেড অফ ট্র্যান্সফরমেশন কাজী মাহবুব হাসান, এসডি এশিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মোস্তাফিজুর আর খানসহ গ্রামীণফোন ও এসডি এশিয়ার জেষ্ঠ্য সদস্যগণ, বিভিন্ন স্টার্টআপ  এবং বিনিয়োগকারীরা।

এই বিভাগের আরো সংবাদ