‘খুলনা-কলকাতার ট্রেন মন্ত্রণালয় পর্যায়ে’
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘খুলনা-কলকাতার ট্রেন মন্ত্রণালয় পর্যায়ে’

বর্তমানে ভারত থেকে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার জন্য একমাত্র যাত্রীবাহী ট্রেন সার্ভিস হিসেবে চালু রয়েছে মৈত্রী এক্সপ্রেস। খুব শিগগির আরও একটি যাত্রীবাহী ট্রেন সার্ভিস চালু হবে। ট্রেনটি খুলনা থেকে কলকাতা রুটে যাতায়াত করবে। এ ব্যাপারে অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছে। আলোচনা এখন দুই দেশের মন্ত্রণালয় পর্যায়ে। উড়িষ্যার স্থানীয় রেলওয়ে কর্মকর্তা আরএন মহাপাত্র ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিআইকে এ তথ্য জানিয়েছেন।খবর দ্য হিন্দুর।

ছবিটি প্রতীকী

ছবিটি প্রতীকী

তিনি বলেন, ভারতের পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে কলকাতা এবং খুলনার মধ্যে যাত্রীবাহী এই ট্রেন সেবা পরিচালিত হবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে আলাপ চলছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের আগে বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ও ভারতের মধ্যে সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ চালু ছিল। যুদ্ধের বছরের ৭ সেপ্টেম্বর কয়েকদিনের জন্য এই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে আবার চালু হলেও ১৯৭৪ সালে লোকসানের কারণে রুটটিতে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সে হিসেবে দীর্ঘ ৪১ বছর পর এই সার্ভিসটি আবার চালু হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের দর্শনা এবং ভারতের গেদে সীমান্ত দিয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করে। যাত্রী ভীড় দেখেই দু’দেশের রেল মন্ত্রণালয় নতুন আরেকটি ট্রেন সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেয়।

পথে যানজট ও বাসের অত্যধিক ভাড়ার কারণে ইদানিং ফরিদপুর, বরিশাল অঞ্চল, খুলনা এমনকি যশোরের মানুষও ট্রেনে করে বেনাপোলে নেমে কলকাতাসহ ভারতের অন্যান্য স্থানে যাচ্ছেন।

খুলনা-বেনাপোল রেলপথে অবকাঠামোগত সব ব্যবস্থা থাকায় বাংলাদেশের দিকে কোন সমস্যা নেই। কেননা বেনাপোল স্থল সীমান্তের একেবারে পাশ ঘেঁষেই রয়েছে রেললাইনটি। আর খুলনা-বেনাপোল রুটে দিনে সকাল-বিকাল মাত্র দু’বার ট্রেন চলাচল করে। পুরা দিনই থাকে ফাঁকা।

বেনাপোলের ওপারে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত বন্দর। পেট্রাপোল থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে বনগাঁও রেলস্টেশন। দু’দেশের অধিকাংশ যাত্রী স্বল্পসময় ও অল্প খরচে কলকাতা যেতে বনগাঁও থেকে ট্রেনে চাপেন। ট্রেনের ভাড়া ২০ রুপি। সেখানে বাসের ভাড়া ২৫০ রুপি। বাসে চার ঘণ্টার আগে কলকাতা পৌঁছানো যায় না কোনোমতেই। সেখানে ট্রেনে দু’ঘণ্টার কম সময়ে কলকাতা পৌঁছানো যায়।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলাও সম্প্রতি বলেছেন, আগামী বছরের শুরুতেই খুলনা-কলকাতা রুটে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

তিনি বলেন, বেনাপোল-পেট্রাপোল ব্যবসায়ীদের জন্য একটি উপযুক্ত পয়েন্ট। বেনাপোল বন্দর দিয়ে উভয়দেশের ট্রেডকে ফেসিলিটেড করতে কাজ চলছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ