বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের লাইসেন্স দেওয়া শুরু
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের লাইসেন্স দেওয়া শুরু

বেসরকারিভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের জন্য লাইসেন্স দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বেজা কার্যালয়ে লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশের প্রথম প্রাইভেট অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে বেজার লাইসেন্স পেল মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) পবন চৌধুরী বলেন, প্রাইভেট সেক্টরের মাধ্যমেই বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাই আমরা প্রাইভেট সেক্টরকে গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রি-কোলিফিকেশনের সব শর্ত পূরণ করায় মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে দেশের প্রথম প্রাইভেট অর্থনৈতিক অঞ্চলের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। বেজার ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন ও কোটি কর্মসংস্থানের মাইলফলক এটি।

Meghna Economical Zone2

বেসরকারিভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের জন্য লাইসেন্স প্রধান উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বেজা কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠান।

মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে মেঘনা পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেড, এমপিপি পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেড, মেঘনা এডিবল অয়েলস রিফাইনারি লিমিটেড, সোনারগাঁও ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেড, মেঘনা পিভিসি প্লান্ট, ফ্রেশ এলপিজি বটলিং প্লান্ট ইত্যাদি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। আমাদের দুটি ইকোনোমিক জোন বাস্তবায়ন হলে প্রায় ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে।

তিনি জানান, এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য প্রস্তাবিত শিল্পখাতগুলোর মধ্যে কাগজ শিল্প, ভোজ্যতেল শোধনাগার, এলপিজি প্ল্যান্ট, পিভিসি প্ল্যান্ট রয়েছে। প্রথম বছরেই দক্ষ-অদক্ষ নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ৩ হাজার কর্মসংস্থান হবে এতে; যা ৫ বছরের মধ্যে ৩০ হাজার ছাড়াবে।

লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেজার নির্বাহী সদস্য ড.এম. এমদাদুল হক, মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ, হরিপ্রসাদ পাল প্রমুখ।

মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল সূত্রে জানা যায়, ওই অঞ্চলে ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১টি পাওয়ার প্ল্যান্টের পাশাপাশি নিজস্ব পানি সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। একইসঙ্গে তিতাস থেকে সরবরাহকৃত গ্যাস সংযোগসহ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সর্বাধুনিক আনুষঙ্গিক সুবিধা পাবে এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগকারীরা। এছাড়া প্রয়োজনীয় পানি শোধনাগার প্ল্যান্ট, নোংরা পানি অপসারন, তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার প্ল্যান্ট, কঠিন বর্জ্য অপসারন এবং অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

প্রসঙ্গত, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরান্বিত করা, ১৫ বছরের মধ্যে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ২০২১ সালের মধ্যে ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় এবং ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রত্যাশা নিয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ৮টি প্রতিষ্ঠানকে প্রাইভেট অর্থনৈতিক অঞ্চল করার প্রি-কোয়ালিফিকেশন লাইসেন্স দিয়েছিল বেজা।

অর্থসূচক/মেহেদী/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ