পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানিতে আয় ৫৪৬ কোটি টাকা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানিতে আয় ৫৪৬ কোটি টাকা

২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই মাসে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ৫৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৭৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আগস্ট মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই মাসে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০ দশমিক ৬৮ শতাংশ কম। তবে সদ্য সমাপ্ত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম মাসের তুলনায় এ খাতের রপ্তানি আয় ২৫ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়েছে। গত অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫ কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার।

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১২ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ কোটি মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।

ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে কাঁচা পাট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। এই সময়ে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৩ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৪ শতাংশ ৩০ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এই খাতে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের জুলাই মাসে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ কোটি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে পাটের সুতো ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এ সময়ে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৮ দশমিক ১২ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের তুলনায় এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে পাটের সুতো ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে ৩ কোটি ৩০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছিল।

চলতি বছরের জুলাই মাসে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৭৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০ দশমিক ৩৩ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের আয় ২৭ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের জুলাই মাসে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৬১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

ইপিবির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে পাটের অন্যান্য দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩০ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০ দশমিক ৩২ শতাংশ কম। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৩৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কমেছে।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ