সেই স্বর্ণবোঝাই ট্রেনের খোঁজে ...
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

সেই স্বর্ণবোঝাই ট্রেনের খোঁজে …

ন্যাৎসিদের রেখে যাওয়া সেই স্বর্ণবোঝাই ট্রেনের কথা ইতোমধ্যেই পোল্যান্ডের রূপকথাতেও স্থান পেয়েছে। এবার ফের তার খোঁজ শুরু হলো এই দেশটিতেই। রটনা আছে, রুশ সেনাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখার জন্য জার্মানির বহু গুপ্তধন ন্যাৎসিরা ওই ট্রেনে রেখে দিয়েছিল। তা যাতে আগুয়ান রুশ বাহিনীর নজরে না পড়ে যায়, সে জন্য আস্ত ট্রেনটাকে রেখে দিয়েছিল মাটির তলায়।

ধারণা করা হয়- রুশ সেনাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখার জন্য জার্মানির বহু গুপ্তধন ন্যাৎসিরা ওই ট্রেনে রেখে দিয়েছিল। যা এখনো উদ্ধার করা হয়নি।

ধারণা করা হয়- রুশ সেনাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখার জন্য জার্মানির বহু গুপ্তধন ন্যাৎসিরা ওই ট্রেনে রেখে দিয়েছিল। যা এখনো উদ্ধার করা হয়নি।

গুপ্তধন সন্ধানীদের বিশ্বাস, দক্ষিণ-পশ্চিম পোল্যান্ডের ওয়ালব্রিজখেই মাটির তলায় আস্ত ওই স্বর্ণের ট্রেনটাকে পুঁতে রেখেছিল ন্যাৎসিরা। গত বছর এক পোলিশ ও এক জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক দাবি করেন, তারা ওই এলাকায় মাটি খুঁড়ে ওই ট্রেনের কয়েকটা কামরার হদিস পেয়েছিলেন। প্রায় ২৬ থেকে ২৮ ফুট গভীরতায়। ওই কামরাগুলো রাখা ছিল প্রায় সাড়ে ৩০০ ফুট জায়গা জুড়ে। তারা গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার দিয়ে স্বর্ণের ট্রেনের ওই কামরাগুলোর হদিস পেয়েছিলেন।

তবে গবেষকরা বলেছিলেন, তাদের অনুমান ওই ট্রেনে হরেক রকমের যুদ্ধাস্ত্রের অবিকল প্রতিরূপ রেখে দিয়ে গিয়েছিল ন্যাৎসিরা।

গুপ্তধন সন্ধানীদের জোর বিশ্বাস, রুশ সেনাবাহিনী একেবারে ঘাড়ের ওপর এসে গিয়েছে বুঝতে পেরে প্রচুর সোনাদানা, মূল্যবান রত্ন, মণি-মাণিক্য, গুপ্তধন নাৎসিরা ওই ট্রেনে রেখে তা মাটির তলায় পুঁতে দিয়ে এলাকা ছেড়েছিল।

ক্র্যাকাওয়ের এজিএইচ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা কিন্তু গত ডিসেম্বরে ওই এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে তেমন কিছুর সন্ধান পায়নি। তবে সেখানে কোনও সুড়ঙ্গ থাকলেও থাকতে পারে।

সন্ধানীদের এক মুখপাত্র বলেন, ‘‘সুড়ঙ্গের হদিস মিললেও সেটা আমাদের একটা বড় সাফল্য হবে।ওই সুড়ঙ্গেই হয়তো রয়েছে সেই সোনার ট্রেনটি। আমরা খড়ের গাদায় কোনও ছুঁচ খুঁজছি না। আর ৪/৫ দিনের মধ্যেই গোটা বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে যাবে। আমরা ১০০ মিটার এলাকাজুড়ে প্রায় ২০ ফুট পর্যন্ত মাটি খুঁড়ব।’

এই বিভাগের আরো সংবাদ