ফেসবুকেও ব্যবসা করেন ট্রাম্প!
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ফেসবুকেও ব্যবসা করেন ট্রাম্প!

আর ১০ জন রাজনীতিবিদের মতো নন ট্রাম্প। মার্কিন এই ধনকুবের ব্যবসায়ী সবখানেই ব্যবসা খোঁজেন। ফেসবুকও বাদ দেননি। ১ কোটির বেশি ফলোয়ার তার ফেসবুক পেজে। ট্রাম্পের কাছে বেশি ফলোয়ারের মানে হচ্ছে বেশি ভোক্তা। হিলারি ক্লিনটনের ফেসবুক পেজে লেখা আছে ‘সাইন আপ’, অথচ ট্রাম্পের ফেসবুক পেজে লেখা ‘শপ নাও’ (এখনই কিনুন)!

হিলারি ক্লিনটনের ফেসবুক পেজে লেখা আছে ‘সাইন আপ’, অথচ ট্রাম্পের ফেসবুক পেজে লেখা ‘শপ নাও’ (এখনই কিনুন)!

হিলারি ক্লিনটনের ফেসবুক পেজে লেখা আছে ‘সাইন আপ’, অথচ ট্রাম্পের ফেসবুক পেজে লেখা ‘শপ নাও’ (এখনই কিনুন)!

সিএনএন এর অনলাইন সংস্করণ গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, হিলারির ফেসবুক পেজে সাইন-আপ বাটন দেওয়া আছে; যাতে লোকজন ডেমোক্র্যাট দলের নির্বাচনী ওয়েবসাইটে ঢুকতে পারে। বাটনটি দেওয়া হয়েছে মূলত আগ্রহী লোকজনের মোবাইল ফোন ও ই-মেইল ঠিকানা সংগ্রহ করার জন্য। এসব জোগাড় করে দলীয় প্রচার-প্রচারণা ও বিভিন্ন দলীয় তথ্য সরবরাহ করা হয়।

উল্টোদিকে ট্রাম্পের ফেসবুকে শুধুই বিক্রির অফার। শপ নাও বাটনে ক্লিক করলে আপনি কিনতে পারবেন ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার বিভিন্ন পণ্য। যেমন- ২০ ডলার দিয়ে কেনা যাবে ট্রাম্পের নির্বাচনী স্লোগানযুক্ত গেঞ্জি। তাতে লেখা ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’।আরও আছে শার্ট, হ্যাট, স্টিকার, বোতাম ইত্যাদি। দাম শুরু ৫ ডলার থেকে।

সিএনএনের খবরে বলা হয়, ফেসবুকে ট্রাম্পের ব্যবসা নেহায়েত মন্দ নয়। কারণ হিলারির ফলোয়ার মাত্র ৫৩ লাখ, আর ট্রাম্পের ফলোয়ার ১ কোটি ১ লাখ। প্রায় দ্বিগুণ।

১ কোটির বেশি ফলোয়ার তার ফেসবুক পেজে

১ কোটির বেশি ফলোয়ার তার ফেসবুক পেজে

২০০০ সালে ফরচুন ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনিই প্রথম প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবেন যে নির্বাচনী প্রচারণা থেকেও আয় করবে। বর্তমানে তাই করে দেখাচ্ছেন এই টাকার কুমির।

রিপাবলিকান দলের নির্বাচনী আইন দপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্রেনডন ফিশার বলেন, মাত্র ২০ ডলারের টি-শার্ট বেচে ট্রাম্প নিশ্চয়ই বড়লোক হয়ে যাবেন না। তবে দলীয় প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত পণ্য বিক্রি থেকে প্রাপ্ত আয়ে নিজের পকেটে ভর্তি করা বেআইনি।

তিনি বলেন, একজন প্রার্থী শুধু দলীয় তহবিল সংগ্রহের জন্য এসব বিক্রি করতে পারেন। দলীয় তহবিলের টাকা নিজের স্বার্থে খরচ বা ব্যক্তিগত আয় দাবি করা বেআইনি।

তবে তিনি এও বলেন, সম্ভবত ট্রাম্পের ফেসবুকে নির্বাচনী ব্যবসার লক্ষ্য হতে পারে ক্ষুদ্র দাতার কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহ করা। একটি শার্ট বা হ্যাট কেনা মানে দলীয় তহবিলে কিছু টাকা দান করা। তাছাড়া দলীয় স্লোগানযুক্ত পণ্য বিক্রি করে দলের প্রচারণাও বিনামূল্যে হয়ে যাচ্ছে।

অর্থসূচক/রাশিদ

এই বিভাগের আরো সংবাদ