জঙ্গি হামলার ২ হোতাকে ধরিয়ে দিলে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

জঙ্গি হামলার ২ হোতাকে ধরিয়ে দিলে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার

গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত সৈয়দ মো. জিয়াউল হক এবং তামিম চৌধুরীকে ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান পুলিশের মহাপরিদর্শক এ.কে.এম. শহীদুল হক।

Mejor Zia & Tamim

২০১১ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টার পরিকল্পনার দায়ে বরখাস্ত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হক এবং কানাডার পাসপোর্টধারী বাংলাদেশি নাগরিক তামিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলার মাস্টারমাইন্ড এবং কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তামিম চৌধুরী ও বহিষ্কৃত মেজর জিয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগের বিভিন্ন মামলাতেও আসামি ছিল এই দুই জন। এদের তথ্য দিলে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার দেব আমরা। একইসঙ্গে যারা তথ্য দেবে, তাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক জানান, তামিম চৌধুরী নিউ জেএমবির নেতা। গুলশান হামলার আগে দেশেই ছিল সে। জেএমবির অর্থায়ন বিদেশ থেকেই হয়। তাই হামলার পর সে বিদেশে চলে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) সমন্বয়কের কাজ করেছিল জিয়া। সেও দেশের বাইরে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

২০১১ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টার পরিকল্পনার দায়ে সেনাবাহিনী থেকে মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হককে বরখাস্ত করা হয়েছিল। অন্যদিকে কানাডার পাসপোর্টধারী বাংলাদেশি নাগরিক তামিম চৌধুরী বাংলাদেশে আইএসের কথিত সমন্বয়ক বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১ জুলাই গুলশান কূটনৈতিক এলাকার হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলায় ১৭ জন বিদেশি এবং ২ জন পুলিশসহ ২২ জন নিহত হয়। পরদিন ভোরে কমান্ডো অভিযানে ৬ হামলাকারীর মৃত্যু হয়। এরপর ৭ জুলাই শোলাকিয়ায় ঈদ জামাতের কাছের এক হামলায় এক জঙ্গিসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই রাতে রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বাসায় পুলিশি অভিযানে ৯ জনের মৃত্যু হয়। তাদের সবাই জঙ্গি সংগঠনের সদস্য বলে দাবি করেছে পুলিশ।

অর্থসূচক/বিএন/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ