মাগুরার এই শিশুটির বয়স কত?
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

মাগুরার এই শিশুটির বয়স কত?

বলিউডের অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ‘পা’ কিংবা হলিউডের  ব্যাড পিট অভিনীত ‘দ্য কিউরিয়াস কেসেস অব বেঞ্জামিন বাটন’। দুটি চলচ্চিত্রের মূল চরিত্র ছিলো অকাল বার্ধ্যকের শিকার একটি শিশু। যে শিশু অবস্থায়ই বুড়িয়ে যাওয়া রোগে আক্রান্ত। শেষ পর্যন্ত মারা যায় এ মূল কেন্দ্রীয়  চরিত্রের দুটি শিশু।magura3

তেমনি অকাল বার্ধক্যের শিকার এক শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে বাংলাদেশে।চার বছরের শিশুটির নাম বায়েজিদ। ছবিতে দেখানো মূল চরিত্র গুলোর মতোই দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছে সে।

আশি-নব্বই বছরের বৃদ্ধের মতো কুঁচকে যাওয়া গাল, ঝুলে যাওয়া চামড়া দেখে বোঝার উপায় নেই সে একজন শিশু।magura4

শিশু বায়েজিদ এক ধরণের দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। এই ধরণের রোগকে প্রোগ্যারিয়া বলে। জিনের এক ধরণের গঠনগত ত্রুটি মানুষকে বুড়িয়ে দিতে পারে। ফলে অপরিণত বয়সেই চামড়ার সংযোগকারী টিস্যুগুলো প্রভাবিত করে। এই ধরণের রোগীরা সাধারণত ১৫ বছরের বেশি বাঁচে না।magura1

রোগটি বায়েজিদকে তাকে চলৎশক্তিহীন করে ঘরে বন্দী করে ফেলেছে। আর আটদশটা বাচ্চার মতো সে ছুটতে পারে না। খেলতে যেতে পারে না বাচ্চাদের সাথে। বরঞ্চ তাকে দেখলে অন্য বাচ্চারা ভয়ে পালিয়ে যায়। এছাড়াও প্রস্রাবের সমস্যা, দাঁত পড়ে যাওয়া, শারিরীক দুর্বলতা এবং হাত-পায়ের গিঁটে ব্যথার সমস্যা বধে করে সে।

বায়েজিদের মা তৃপ্তি খাতুন বলেন, যখন সে জন্ম নেয় তখন তার শরীরে শুধু মাংসের পিণ্ডের মাঝে কিছু হাড় ছাড়া কিছু ছিলো না। তাকে দেখতে ভিনগ্রহের প্রাণীদের মতো লাগছিলো। আমি খুব আশাহত হয়েছিলাম। বায়েজীদকে জন্ম দেয়ার সময় তৃপ্তি খাতুনের বয়স ছিলো ১৪ বছর।magura

তার শারিরীক এ সমস্যা ছাড়াও তৃপ্তি তাকে একগুঁয়ে, অধৈর্য্যশীল, এবং খুব চালাক বলে। তাছাড়া সে সব ধরণের কথাবার্তা বুঝতে সক্ষম।

তার এ রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু দরিদ্র পিতামাতার পক্ষে তা আর সম্ভব না।

কেএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ