'২০২১ সালে বিপিও খাতের আয় শত কোটি ডলার ছাড়াবে'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘২০২১ সালে বিপিও খাতের আয় শত কোটি ডলার ছাড়াবে’

বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) খাত থেকে বর্তমানে বার্ষিক আয় ১৮ কোটি মার্কিন ডলার জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, ২০১৫ সালে এই খাত থেকে বাংলাদেশের বার্ষিক আয় ছিল ১৩ কোটি মার্কিন ডলার। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে এই খাতের আয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা রাখি।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০১৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

BPO Summit

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাক্য যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০১৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, তরুণদের স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্নহীন বা গন্তব্যহীন জাতি কোনো দিন ভালো করতে পারে না। আইসিটি খাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। সেগুলোর বাস্তব রূপ দিতেই কাজ করছে সরকার। তরুণদের আইসিটি খাতে প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অল্প দিনের মধ্যে মাইক্রোসফট, অ্যাপল, গুগলের মতো তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তৈরির স্বপ্ন দেখি। ২০২১ সালের মধ্যে বিপিও খাতে ১ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান করার চিন্তাও আমাদের রয়েছে।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, তরুণরাই নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা নির্ধারণ করবে- এমন চিন্তা থেকেই আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমাদের ভাবনা সত্যি হয়েছে, তরুণরাই তাদের গন্তব্য ঠিক করে নিয়েছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তরুণরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আগ্রহী করে গড়ে তুলতে হবে। তরুণরা এগিয়ে না এলে দেশ এগিয়ে যাবে না।

তিনি বলেন, আইসিটি বিভাগের বাজেট ৫০ শতাংশ বেড়েছে। আমাদের দেশে আইসিটির বাজারও বড় হয়েছে। বিশ্বের যে সব দেশ বিপিও খাতে ভালো করেছে, তারা সবাই নিজেদের অভ্যন্তরীণ খাতের বিপিও শিল্পকে শক্তিশালী করেছে। আমাদের বিপিও খাতকেও অভ্যন্তরীণ মার্কেটে শক্তিশালী করতে হবে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত বিপিও সামিটের আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামিটের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে বিপিও খাতে আমাদের দক্ষতা তুলে ধরতে চাই। স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি সেক্টরে বিপিও খাতের সম্প্রসারণ হবে এতে। দেশের বিপিও খাতের সাফল্যের গল্পগুলো সবাইকে জানাতে চাই।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, আইসিটি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, আইসিটি অধিদফতরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক ও বাক্যের সভাপতি আহমাদুল হক।

প্রসঙ্গত, এবারের সম্মেলনে প্রায় ২৫ হাজার দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করেছে। বিদেশি ২৩ জন বক্তাসহ সম্মেলনের মোট বক্তা ছিলো ৭৭ জন। সামিট উপলক্ষে বিপিও খাতে চাকরি প্রত্যাশীদের প্রায় ২১ হাজার বায়োডাটা জমা পড়েছে।

বিপিও সামিট ২০১৬ এর গোল্ড স্পন্সর ছিল সামিট কমিউনিকেশন লিমিটেড ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। সিলভার স্পন্সর ছিলো অগমেডিক্স, আভায়া, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, মাইক্রোসফট।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ