আইপিও ব্যয় কমানোর পরামর্শ বাংলাদেশ ব্যাংকের
মঙ্গলবার, ২রা জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

আইপিও ব্যয় কমানোর পরামর্শ বাংলাদেশ ব্যাংকের

শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ তথা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) ব্যয় কমানোর পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার ঘোষিত মুদ্রানীতিতে এই পরামর্শ দেওয়া হয়।গভর্নর ফজলে কবির আজ সকালে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) জন্য এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।

করপোরেট তথা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে সহজে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও বেশি সহায়ক ভূমিকা পালনের জন্যেও পরামর্শ দেওয়া হয় মুদ্রানীতিতে।

মুদ্রানীতিতে পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক নেতিবাচক ধারার কিছু পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) বিপরীতে পুঁজিবাজারের মূলধনের (Market Capitalization) অনুপাত ছিল ১৫ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা মে মাসে ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশে নেমে আসে। একই সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্য-আয় অনুপাত (PE Ratio) ১৫ দশমিক ২২ থেকে ১৪ দশমিক ৩৩ এ নেমে আসে।

তবে বেশ আশার কথাও শুনিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, সরকার বেসরকারি খাতে পেনশন চালুর জন্য দীর্ঘ মেয়াদি পেনশন সঞ্চয় প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে। এর জন্য একটি পেনশন ফান্ড রেগুলেটর গঠন করা হবে। এটি সফলভাবে চালু হলে তা মুদ্রা ও পুঁজিবাজারকে সহায়তা করবে। দীর্ঘ মেয়াদী সঞ্চয় থেকে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে অর্থায়ন করা যাবে সহজেই।

মুদ্রানীতি ঘোষণা উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য সরাসরি পুঁজিবাজার নিয়ে কোনো কথা বলেননি গভর্নর ফজলে কবির বা কোনো ডেপুটি গভর্নর। প্রশ্নোত্তর পর্বেও এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না। তাই পুঁজিবাজার সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর কী কী ভাবনা আছে, তা জানা যায়নি।

এই বিভাগের আরো সংবাদ