আয় বাড়লেও অর্জিত হয়নি লক্ষ্যমাত্রা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page
পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি

আয় বাড়লেও অর্জিত হয়নি লক্ষ্যমাত্রা

২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। তবে সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৮৬ কোটি ৮৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে আলোচ্য সময় আয় হয়েছে ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ কম।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১১ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৫ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

Raw-jute-spinnersসদ্য সমাপ্ত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ কোটি মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ কোটি মার্কিন ডলার।

ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে ১১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই সময়ে আয় হয়েছে ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৪ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ৫৫ শতাংশ ২১ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১১ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাটের সুতো ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৩০ শতাংশ কম। একইসঙ্গে আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ১ দশমিক ১৬ শতাংশ কমেছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পাটের সুতো ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৫ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।

ইপিবির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে ১৭ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এর বিপরীতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭ দশমিক ৯২ শতাংশ কম। একইসঙ্গে আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১২ দশমিক ১৩ শতাংশ কমেছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

এতে আরও জানানো হয়েছে, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে পাটের অন্যান্য দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৬ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ১৩ শতাংশ কম। এর আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় শূন্য দশমিক ০৬ শতাংশ কমেছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পাটের অন্যান্য দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৬ কোটি ৫১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ