'পর্যটন বর্ষে ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘পর্যটন বর্ষে ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ’

‘দেশে একের পর এক জঙ্গি হামলার ঘটনা পর্যটন শিল্পে আঘাত হেনেছে’ সম্প্রতি পর্যটনমন্ত্রীর এমন মন্তব্য উল্লেখ করে বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ২০১৬ সালকে প্রধানমন্ত্রী পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু, এ বছরেই আমরা একটা ধাক্কা খেয়েছি।

FBCCI

এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটি অন স্পোর্টস ট্যুরিজম আয়োজিত ‘স্পোর্টস টুরিজম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক। ছবি-মহুবার রহমান

আজ বৃহস্পতিবার মতিঝিলের ফেডারেশন ভবনের সভাকক্ষে ‘স্পোর্টস টুরিজম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। বৈঠকের আয়োজন করে এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটি অন স্পোর্টস ট্যুরিজম।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে বলেই আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন গুলশানে হামলার ঘটনা দিনরাত প্রচার করেছে। অথচ ফ্রান্সে হামলার ঘটনা তারা এতটা প্রচার করেনি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, জাপান, ফ্রান্সে কিছু হলে সেখানে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় না। বাংলাদেশে কিছু হলেই ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

বৈঠকে স্পোর্টস ট্যুরিজমে ব্যক্তিখাতের উদ্যোগ এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। ট্যুরিজমকে উন্নত করতে পারলে  এ খাতের আয় গার্মেন্টস সেক্টরকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পর্যটন নিয়ে আশার কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বিরেন শিকদার। তিনি বলেন, কোনো কিছুই আমাদের ট্যুরিজম সেক্টরকে থামিয়ে রাখতে পারবে না। সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পরেও ঈদের সময়ে কক্সবাজারে ৩ লাখ পর্যটক গিয়েছে।

স্পোর্টস ট্যুরিজমের উন্নয়নে স্পোর্টস এবং ট্যুরিজম দুই মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে উদ্দেশ্য করে এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমেদ বলেন, টুরিস্টদের অন্যান্য সুবিধা দিলেও আমরা তাদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে পারিনি। কেননা, আমরা টুরিস্ট মিনিস্ট্রি থেকে এই অনুমতি এখনও পাইনি। এসময় তিনি পর্যটনমন্ত্রীর কাছে টুরিস্ট কার আমদানির অনুমতি চান।

পরবর্তীতে মন্ত্রী জানান, আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় না পড়লে এ বছরের মধ্যেই আমরা টুরিস্ট কার চালু করবো।

বৈঠকে উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা গ্রামীণ অঞ্চলের বিলুপ্ত প্রায় খেলাধুলাগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে উঠিয়ে আনার আহ্বান জানান। গ্রাম্য খেলাধুলাকে বিদেশি পর্যটকদের কাছে পরিচিত করা এবং গণমাধ্যমে প্রচার করার আহ্বান জানান তারা।

গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক পর্যটনমন্ত্রী জি. এম কাদের, এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহসভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সহসভাপতি মাহবুব আলম, স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি খবির উদ্দীন আহমেদ, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অপরুপ চৌধুরী ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অর্থসূচক/মেহেদী/শাফায়াত/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ