পুঁজিবাজারে এক্সপোজার সমন্বয়ে ৫ প্রতিষ্ঠানের মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পুঁজিবাজারে এক্সপোজার সমন্বয়ে ৫ প্রতিষ্ঠানের মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন

সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মূলধন বৃদ্ধির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের সুযোগ পেয়েছে ৫ প্রতিষ্ঠান। আজ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৮০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

bsec

বিএসইসি-লোগো

সূত্র মতে, অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ন্যাশনাল ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এবি ব্যাংকের এবি ইনভেস্টমেন্টস, শাহজালাল ব্যাংকের শাহজালাল ব্যাংক সিকিউরিটিজ, সাউথইস্ট ব্যাংকের সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল ও মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমটিবি সিকিউরিটিজ।

জানা যায়, ১০ ফেসভ্যালু দিয়ে এক্সিস্টিং শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে নতুন শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন বাড়াবে প্রতিষ্ঠানগুলো। এর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক সিকিউরিটিজ ৩০ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩০০ কোটি টাকার মূলধন বাড়াবে; এবি ব্যাংকের এবি ইনভেস্টমেন্টস ৩০ কোটি  ১১ লাখ ৪৩ হাজার শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে বাড়াবে ৩০১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। শাহজালাল ব্যাংকের শাহজালাল ব্যাংক সিকিউরিটিজ ৬ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৬০ কোটি টাকার মুলধন বাড়াবে।

এছাড়া  সাউথইস্ট ব্যাংকের সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল ও মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমটিবি সিকিউরিটিজ বাড়াবে যথাক্রমে ৩০০ কোটি  ও ১২৫ কোটি টাকা। এ জন্য সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল ইস্যু করবে ৩০ কোটি শেয়ার; আর মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমটিবি সিকিউরিটিজ করবে ১২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার।

উল্লেখ, বর্তমানে প্রতিটি ব্যাংক তার রেগুলেটরি মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারে। বিনিয়োগের পরিমাণ গণনায় ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের (ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক) মূলধনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যদিও বিদ্যমান আইন অনুসারে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এদের প্রতিটির রয়েছে আলাদা পর্ষদ। বিনিয়োগ, মুনাফা ও ঝুঁকি-সবই নিজস্ব। তাই সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মূলধনকে মূল ব্যাংকের এক্সপোজারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিকে অযৌক্তিক হিসেবে হিসেবে দাবি করে আসছিলেন সংশ্লিষ্টরা।

২০১৩ সালে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের সক্ষমতা কমিয়ে আনা হয়। পুঁজিবাজারে চলমান মন্দায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠে। বাজারে স্বাভাবিক গতি ফেরানোর স্বার্থে এক্সপোজারের সংজ্ঞা পরিবর্তনের দাবি উঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা শেষে দেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে এক্সপোজার গণনায় সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মূলধনকে বাইরে রাখার  সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

অর্থসূচক/গিয়াস/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ