জঙ্গি হামলা ঠেকাতে বাহিনীগুলোকে প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের আহ্বান
বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

জঙ্গি হামলা ঠেকাতে বাহিনীগুলোকে প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের আহ্বান

দেশের সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার মতো ঘটনা ঠেকাতে দেশের প্রতিরক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

pm

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

আজ মঙ্গলাবার সকালে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের(এসএসএফ) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেওয়া ওই বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, প্রযুক্তি এক দিকে যেমন আমাদের উন্নয়নে সহায়তা করছে তেমনি কেউ কেউ এটি ধ্বংসাত্বক কাজেও ব্যবহার করছে।

গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গী হামলায় হামলাকারীরা উচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গিরা এখন প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটাচ্ছে। তারা মতাদর্শ প্রচারেও প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাদের প্রতিরোধে আমাদের বাহিনীগুলোকেও প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে যেহেতু প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে তাই এই ক্ষেত্রে সকলেরই দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। ধর্মকে অবমাননা ও অসম্মানিত করা সহ্য করা হবে না। এ ক্ষেত্রে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সমাজে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের ধরন পাল্টাচ্ছে। সে কারণে বাহিনীগুলোকে এটা নির্মূলে আধুনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া জঙ্গি কার্যক্রমে ছেলেমেয়েরা যেন জড়িয়ে না যায় এ জন্য তাদের সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর জন্য মা-বাবাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, ছেলেমেয়েদের কাছে টেনে নিন। তাদের সঙ্গে মন খুলে গল্প করুন। ছেলেমেয়েরাও যেন মা-বাবার সঙ্গে মন খুলে গল্প করতে পারে, পরিবারে সেই পরিবেশ তৈরি করুন।

তিনি বলেন, ছেলেমেয়েদের সময় দেওয়া মা-বাবার কর্তব্য বলে মনে করি। সন্তানকে সময় দিতে হবে। তাদের খোঁজখবর নিতে হবে। তারা কার সঙ্গে মেশে, কোথায় যায়, সেটা জানতে হবে। সন্তানেরা যেন ধর্মীয় শিক্ষা সঠিকভাবে পায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা, সব ধর্মই শান্তির কথা বলে। শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের মধ্যে কীভাবে ধর্মান্ধতা ঢুকছে, সেই শিকড় খুঁজে বের করতে হবে। এর পেছনে কারা কারা অর্থ দিচ্ছে, কারা ছেলেমেয়েদের মানসিক বিপর্যয় ঘটাচ্ছে, প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, সেটা বের করতে হবে।

টি

এই বিভাগের আরো সংবাদ