হাট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ মাংস ব্যবসায়ীদের
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

হাট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ মাংস ব্যবসায়ীদের

গাবতলী গরুর হাটের ইজারাদারদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত খাজনা আদায় ও মজিবর বাহিনির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতি।

আজ রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে মাংস ব্যবসায়ীদের সংগঠন দুটি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, আদালতের আদেশ, সিটি কর্পোরেশনের শর্ত কোনো কিছুর তোয়াক্কা করে না গাবতলী গরুর হাটের ইজারাদাররা। মাংস ব্যবসায়ীদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিচারের নামে চাঁদাবাজি করছে ইজারাদারদের নিযুক্ত মজিবর বাহিনি। রাত ১২টার আগে হাট থেকে গরু বের হতে দিচ্ছে না তারা।

Gubtali Businessmen

ডিআরইউ এর সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গাড়ী দিয়ে গরু নিতে হলে ইজারাদরকে টাকা দিতে হবে। হাটে গরু বিক্রি করতে মজিবর বাহিনিকে ডোগা ভাড়া দিতে হবে। চাঁদাবাজির এমন কোনো কৌশল নাই, যা তারা ব্যবহার করছে না।

ইজারাদার ও মজিবর বাহিনি কিছুই মানে না মন্তব্য করে রবিউল আলম বলেন, চাঁদাবাজির প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ঢাকার দুই মেয়রের কাছে অভিযোগ এবং হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। আদালত রুল জারি করেছ। কিন্তু কোনো কিছুতেই কোনো কাজ হচ্ছে না।

অবিলম্বে এই চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে মাংস বিক্রি বন্ধসহ কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন মাংস ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, এই চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে এর মাশুল দিতে হবে জনগণকে। কেননা, এই চাঁদাবাজির কারণে মাংসের দাম নিয়ন্ত্রণের রাখা সম্ভব হবে না।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেন মাংস ব্যবসায়ী রবিউল আলম। তিনি বলেন, আমিনুল ইসলামের ভূমিকা রহস্যজনক। ইজারার শর্তে হাট পর্যবেক্ষণ কমিটি করার কথা থাকলেও তিনি কমিটি করেননি।

বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তুজা মন্টুসহ অন্যান্য নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

মাংস ব্যবসায়ীদের অভিযোগ অস্বীকার করেন গাবতলী গরুর হাটের ইজারাদার লুৎফর রহমান। মোবাইল ফোনে অর্থসূচককে তিনি বলেন, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির ব্যবসায়ীদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিক্তিহীন। রবিউল আলম স্থানীয় একটি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতা। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তারা কয়েকজন মিলে সমিতি করেছে। এই সমিতির নামে গরুর হাট থেকে কম খাজনা দিয়ে গরু বের করে নিয়ে যায় তারা।

অর্থসূচক/মেহেদী/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ