'দেশে অবৈধ বিদেশি নাগরিক ৯১০'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘দেশে অবৈধ বিদেশি নাগরিক ৯১০’

বাংলাদেশে এখন ৯১০ জন বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে অবস্থান করছে। এদের শনাক্ত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি

আজ বৃহস্পতিবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সরকারি দলের মামুনুর রশীদ কিরণের এ সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বাংলাদেশে অবস্থানকারী বৈধ বিদেশি নাগরিক ১ লাখ ১১ হাজার ৫৭৫ জন। ৯১০ জন বিদেশি নাগরিকের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। পুলিশের বিশেষ শাখায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করা এসব বিদেশির তালিকা সংরক্ষিত আছে। এদের শনাক্ত করতে বিশেষ শাখাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ অভিযান অব্যাহত আছে। অবৈধভাবে চাকরিরত বিদেশির সন্ধান পেলেও তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

জাতীয় পার্টির এ কে এম মাঈদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ২০ হাজার ৬৫৬ জন ভারতীয় নাগরিক অবস্থান করছেন। ভারতীয় নাগরিকেরা এ দেশে বিনিয়োগকারী, বিভিন্ন সংস্থা/কারখানা, উন্নয়ন প্রকল্প ও বিদ্যুৎ খাতে কর্মরত আছেন। এ ছাড়া কিছু ভারতীয় নাগরিক চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত।

সরকারি দলের নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইয়াবা পাচারকারীসহ অন্য মাদক অপরাধীরা গ্রেপ্তার এড়াতে প্রতিনিয়ত কৌশল পরিবর্তন করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একটি কৌশল ধরে ফেলার পর তারা নতুন কৌশল ব্যবহার করছে। মাদক ব্যবসায়ীরা বিশ্বের সর্বত্র প্রভাবশালী। তারা বিপুল অর্থ-বিত্তের মালিক, অবৈধ অস্ত্রধারী, অবৈধ অস্ত্রের পৃষ্ঠপোষক ও আন্ডার ওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রক হয়ে থাকে। এদের মোকাবিলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আধুনিক প্রযুক্তিতে আপডেট রাখার কোনো বিকল্প নেই। মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অবস্থান করছে।

হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি থানায় গঠিত কমিউনিটি পুলিশের কোনো কমিটিতে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত অপরাধীর অন্তর্ভুক্তির তথ্য পাওয়া যায়নি। এরপরও এ ধরনের কোনো লোক যাতে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে না পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি দলের বজলুল হক হারুনের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সুনির্দিষ্ট হওয়ায় বিদেশি ট্রলার, নৌকা ও মাঝিদের বাংলাদেশের জলসীমায় বা সুন্দরবনের শেষ সীমানায় প্রবেশ করে মাছ শিকারের কোনো সুযোগ নেই।

অর্থসূচক/ডিএইচ

এই বিভাগের আরো সংবাদ