নিউমুরিং ওভারফ্লো কন্টেইনার ইয়ার্ড নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

নিউমুরিং ওভারফ্লো কন্টেইনার ইয়ার্ড নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

চট্টগ্রামে বন্দরে খালি কন্টেইনার রাখার নতুন একটি ইয়ার্ড উদ্বোধন করা হয়েছে। পাশাপাশি একই এলাকায় ‘নিউমুরিং ওভারফ্লো কন্টেইনার ইয়ার্ড’ নামে আরেকটি চত্বরের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। গতকাল বুধবার নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের পাশে চত্বর দুটির উদ্বোধন করেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম. খালেদ ইকবাল।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালের কাছে ডক লেবার কলোনি এলাকায় নবনির্মিত ‘খালি কন্টেইনার সংরক্ষণ ইয়ার্ড’ নামে এটি চালু করা হয়। ১ লাখ ৫৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের এই চত্বরে প্রতি স্তরে ৬০০ থেকে ৭০০ একক কন্টেইনার রাখা যাবে। তিন স্তরে প্রায় ১ হাজার ৮০০ একক কন্টেইনার এখানে রাখা যাবে। এ চত্বর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় আট কোটি টাকা।

নতুন টার্মিনাল চালুর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট বেশ কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Ctg portঅন্যদিকে খালি কন্টেইনার ইর্য়াডের পাশাপাশি ‘নিউমুরিং ওভারফ্লো কন্টেইনার ইয়ার্ড’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর ৩৪ দশমিক ৫০ একর জায়গার চার স্তরে ২০ হাজার পণ্যভর্তি কন্টেইনার রাখা যাবে। ১৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে আগামী এক বছরের মধ্যে ইয়ার্ডের কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম. খালেদ ইকবাল।

তিনি বলেন, বন্দরে প্রতি বছর প্রায় ২০ শতাংশ হারে পণ্য পরিবহন বাড়ছে। বিষয়টি মাথায় রেখে খালি কন্টেইনার ইয়ার্ড চালু করা হয়েছে। ওভারফ্লো ইয়ার্ডটিও আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে চালু করা সম্ভব হবে। এছাড়া পতেঙ্গা রুবি সিমেন্ট এলাকায় গুপ্তা কন্টেইনার টার্মিনালে নতুন একটি চত্বর তৈরির কাজ চলছে।

বন্দর কর্মকর্তারা জানান, কন্টেইনার খুলে পণ্য খালাসের পর প্রতিদিন বন্দর চত্বরে প্রায় দুই হাজার কন্টেইনার খালি হয়। রপ্তানি পণ্য বোঝাইয়ের জন্য সেগুলো বেসরকারি ডিপোতে নেওয়া হয়। ভাড়া না পেলে খালি কন্টেইনার জাহাজে তুলে বিদেশের বন্দরে পাঠানো হয়। এরপরও কন্টেইনার পণ্য আমদানির তুলনায় রপ্তানির হার কম থাকায় প্রায়ই খালি কন্টেইনার বন্দর চত্বরে পড়ে থাকে।

বন্দর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি বন্দরে কন্টেইনার খালাস নিয়ে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। এজন্য বন্দরে খালি কন্টেইনার রাখার জায়গার সংকটে পড়ে বিভিন্ন ইয়ার্ড। এছাড়া ঈদ ও বাজেটের কারণে আমদানি রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে গত ১৮ মে থেকে বন্দর চত্বরে খালি কন্টেইনারের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

সর্বশেষ তথ্য মতে, বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে প্রায় ৩০০০ বাড়তি কন্টেইনার ছিল। বন্দরের অভ্যন্তরে খোলা চত্বর ও রাস্তার আশপাশে সেগুলো রাখা হয়েছিল। এতে বন্দরের কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। ঈদে কন্টেইনার জটের কথা চিন্তা করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে খালি কনটেইনার রাখার চত্বর নির্মাণ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

ইয়ার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) জাফর আলম, সদস্য (প্রকৌশল) কমোডোর জুলফিকার আজিজ, সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডোর শাহীন রহমান, সদস্য (অর্থ) মো. কামরুল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসূচক/দেবব্রত/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ