অবৈধভাবে নিবন্ধিত সিমসহ আটক ২২
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

অবৈধভাবে নিবন্ধিত সিমসহ আটক ২২

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল সিম নিবন্ধন জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ২২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকার আদাব, শ্যামলী ও তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ কমিশনার ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, আটক ২২ জনই একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে নিবন্ধিত এক লাখ সিম জব্দ করা হয়েছে। ওয়াহিদ নামে ওই চক্রের একজন সদস্য এয়ারটেলে কাজ করেন। ওই মোবাইল ফোন অপারেটরের কয়েকজন ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলার এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত।

তবে সিম নিবন্ধন জালিয়াতির প্রক্রিয়া এবং পুলিশের অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রি অ্যাক্টিভেটেড এবং আগে থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সিম বিক্রির সময় আদাবর ও শ্যামলী থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে এক লাখ সিম জব্দ ও অন্যদের আটক করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সারাদেশে বিনামূল্যে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম পুনঃনিবন্ধন প্রক্রিয়া চলে। সে অনুযায়ী এখন আর আঙুলের ছাপ না দিয়ে নতুন সিম কেনা যাবে না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জুন পর্যন্ত মোট ১১ কোটি ৬০ লাখের মত সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির হিসাবে, গত এপ্রিল পর্যন্ত গ্রাহকের হাতে থাকা মোবাইল সিমের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৩ কোটি ২০ লাখ। এ হিসাবে নিবন্ধিত না হওয়ায় ঘোষণা অনুযায়ী বন্ধ রয়েছে  দেড় কোটির বেশি সিম।

তবে গ্রাহকরা ইচ্ছা করলেই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করে সেই সিম উত্তোলন করতে পারছেন। এর জন্য নির্দিষ্ট হারে ফি দিতে হবে।

এর বাইরেও সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি দোকানে জাতীয় পরিচয়পত্র ও আঙুলের ছাপ ছাড়াই সিম বিক্রির তথ্য পাওয়ার পর অভিযান শুরুর কথা জানায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ও পুলিশ।

অর্থসূচক/এস/বিএন/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ