মিল্কভিটার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

মিল্কভিটার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের (মিল্কভিটা) সিনিয়র তত্ত্বাবধায়ক মো. আব্দুল আহাদ ওরফে আব্দুল আহাদ আনসারির বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে করা মামলায় এ চার্জশিট দাখিল করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য অর্থসূচককে বলেন, আজ সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এই চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয় কমিশন। চার্জশিটে আব্দুল আহাদ আনসারিকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। খুব শিগগিরই দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শফিউল্লাহ বিচারিক আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করবেন।

ছবি: সংগৃহিত

ছবি: সংগৃহীত

দুদক সূত্রে জানা যায়, দুগ্ধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ সরকারি প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটা মিরপুর অফিসের বিপণন বিভাগের সিনিয়র তত্ত্বাবধায়ক মো. আব্দুল আহাদ ওরফে আব্দুল আহাদ আনসারি। তার বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসলে তা আমলে নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত বিপুল সম্পদের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় অধিকতর অনুসন্ধানের জন্য তার ও তার স্ত্রী এবং তার উপর নির্ভরশীলদের নামে বা বেনামে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর যাবতীয় সম্পদের হিসাব দাখিলের জন্য নোটিস জারি করা হয়। দুদক আইন-২০০৪ এর ২৬(১)ধারায় জারিকৃত নোটিসটি পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে দুদক সচিব বরাবর যাবতীয় সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়।

কিন্তু  আব্দুল আহাদ আনসারি নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। এমনকি দাখিল না করতে পারার ব্যাপারে সময় চেয়ে কোনো আবেদন করেননি। আর তাই নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার কারণে- অবৈধ সম্পদ অর্জন করে তিনি সেটি ভোগ দখলের রাখার বিষয়টি গোপন করার জন্যই নোটিস পাওয়ার পরও সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি বলে দুদকের কাছে প্রতিয়মান হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্পদ হিসাব গোপন করা ও  সম্পদের হিসাব দাখিল না করার অভিযোগে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭ (১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদক বাদি হয়ে তাকে একমাত্র আসামি করে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় একটি মামলা (নং-১৬) করে।

পরে সহকারী পরিচালক মো. শফিউল্লাহর তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে একটি চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয় কমিশন। যা শিগগিরই বিচারিক আদালতে দাখিল করা হবে।

অর্থসূচক/এমআই/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ