শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ২০ রোজার মধ্যে পরিশোধের দাবি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ২০ রোজার মধ্যে পরিশোধের দাবি

২০ রোজার মধ্যে গার্মেন্টস শ্রমিক ও কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এই দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা। এই দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মিছিলও করে তারা।

সমাবেশে ঐক্য পরিষদের অন্তর্ভুক্ত মোট ১৮টি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। এসময় বক্তারা বলেন, ঈদ এলেই মালিকপক্ষ শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস দিতে নানা টাল-বাহানা করেন। ইতোমধ্যে ১৮ রোজা চলে গেলেও বেতন ও বোনাস দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বেতন ও বোনাস শ্রমিকদের অধিকার। তারা দয়া বা করুণা চাইছে না। ২০ রোজার মধ্যে বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে।

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি নাজিম উদ্দিন বলেন, ২০ রোজার মধ্যে বেতন ও বোনাস দেওয়া না হলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।

সমাবেশে জাতীয়তাবাদী গার্মেন্টস শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক লুৎফুন নাহার লতা বলেন, ঈদ এলে বেতন ও বোনাসের দাবিতে বারবার শ্রমিকদের আন্দোলনে নামতে হয়। দেশের সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়লেও গার্মেন্ট শ্রমিকদের বাড়েনি। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন ১০ হাজার টাকা করা উচিত।

জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি এম. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আইনে ঈদ বোনাস দেওয়ার বিষয়টি সুনির্দিষ্ট। কিন্তু মালিকপক্ষ বেতন-বোনাস না দিলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় না সরকার। এর বিপরীতে শিল্প পুলিশ দিয়ে শ্রমিকদের অত্যাচার করা হয়।

শ্রমিকদের জন্য বিমা পলিসি ও পেনশনের ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশের সভাপতি নইমুল আহসান জুয়েল বলেন, শ্রমিক ভাই-বোনেরা না খেয়ে কাজ করছেন। তারা মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

সমাবেশে অংশ নেওয়া অন্যান্য সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশ টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন, জনস্বাধীন গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক জোট, সমাজতান্ত্রিক গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট, জাতীয় গার্মেন্টস দর্জি সোয়েটার শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন ইত্যাদি।

এছাড়া সমাবেশে উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের প্রতিনিধি ওয়াজেদুল ইসলাম, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসেন, শ্রমিক ফ্রন্টের রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ।

অর্থসূচক/পিএ/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ