ক্ষুদ্র ঋণে নিঃস্ব হয় দরিদ্ররা: প্রধানমন্ত্রী
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ক্ষুদ্র ঋণে নিঃস্ব হয় দরিদ্ররা: প্রধানমন্ত্রী

পল্লী অঞ্চলের দরিদ্র জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে তাদের অর্থনৈতিক সঞ্চয় নিশ্চিত করতে আজ সারাদেশে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ১০০টি শাখা যাত্রা শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে দেশব্যাপী পল্লী সঞ্চয় বাংকের একশ’টি শাখার উদ্বোধন করেন। খবর বাসসের।

উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র ঋণের জাল অনেক সময় দারিদ্রের দুষ্ট চক্রের’র মত দরিদ্র মানুষকে সহায়, সম্বলহীন, নিঃস্ব করে দেয়। তাই আমরা মাইক্রো ক্রেডিটের দর্শন পাল্টে মাইক্রো সেভিংস বা ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের উপর জোর দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রণোদনামূলক ব্যবস্থাই পারে গ্রামীন জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্যের মুলোৎপাটন করতে।’

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে প্রতিটি বসতবাড়িকে একটি খামার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যে উদ্যোগ নেয়া হয়,পল্লীসঞ্চয় ব্যাংক সেই একটি বাড়ি একটি খামারেরই প্রাতিষ্ঠানিক রুপ। যে ব্যাংকের মালিক হচ্ছে যৌথভাবে গ্রামের সমিতিভূক্ত প্রান্তিক আয়ের নারী-পুরুষ ও সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রণোদনামূলক ব্যবস্থাই পারে গ্রামীন জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্যের মুলোৎপাটন করতে।’

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে প্রতিটি বসতবাড়িকে একটি খামার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যে উদ্যোগ নেয়া হয়,পল্লীসঞ্চয় ব্যাংক সেই একটি বাড়ি একটি খামারেরই প্রাতিষ্ঠানিক রুপ। যে ব্যাংকের মালিক হচ্ছে যৌথভাবে গ্রামের সমিতিভূক্ত প্রান্তিক আয়ের নারী-পুরুষ ও সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের অধীনে দেশের সকল ইউনিয়নে-ওয়ার্ডে ১টি করে সমিতি গঠিত হয়েছে, এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ২৪ লাখ। এটি দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে প্রতিটি বসতবাড়িকে একটি খামার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমার ব্যক্তিগত চিন্তা থেকে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। এখন দেশের ৪০ হাজার ৫২৭টি গ্রামে একটি বাড়ি একটি খামার আড়াই হাজার কোটি টাকা যৌথ মূল ধন নিয়ে কাজ করছে, যা এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামীন দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সদস্যরা ইতোমধ্যেই গ্রাম সমিতি গড়ে তুলে পরিবেশবান্ধব দুগ্ধ,হাস-মুরগী ও কৃষি খামার-প্রভৃতির মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উত্তোরণ ঘটিয়ে চলেছেন।

বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও‘র ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের কিছু দিকের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনজিওগুলো দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্র ঋণ দিলেও সাপ্তাহিক উচ্চ সুদের হারের কারণে ঋণগ্রহীতার হাতে আর কিছ্ইু থাকতো না। ফলে ঋণ শোধ না করতে পেরে অনেকে আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছেন। এ পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের উপর আমরা জোর দিয়েছি।

এ সময় ক্ষুদ্র ঋণ নয়, ক্ষুদ্র সঞ্চয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এই বিভাগের আরো সংবাদ