'৩০০ টাকার জুস কিনতে হবে ৮৫০ টাকায়'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘৩০০ টাকার জুস কিনতে হবে ৮৫০ টাকায়’

আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি করা খাদ্যদ্রব্য ও ফ্রুট জুসের উপর আরোপিত বাড়তি শুল্ক ও ট্যারিফ কমানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড জুস ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত শুল্ক হার কমানো না হলে বর্তমান দামের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বেশি দামে কিনতে হবে আমদানি করা ফ্রুট জুস।

আজ বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

BD Fruits Association

ডিআরইউতে বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড জুস ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মো. ফায়জুর রহমান। তিনি জানান, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জুস আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো। কিন্তু ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকার জুস আমদানিতে শুল্ক হার বাড়িয়ে ৯৩ শতাংশ ধার্য করেছে। অর্থাৎ প্রায় ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে ট্যারিফের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। আগে জুস আমদানিতে ট্যারফের পরিমাণ ৩০ থেকে ৬০ সেন্টের মধ্যে ছিল। বর্তমানে সেটি বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫ ডলার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে আমদানি করা এসব পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়বে। ফলে সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে এক লিটার জুস আমদানিতে শুল্ক দিতে হচ্ছে ৩০-৪৮ টাকা। কিন্তু নতুন শুল্কহার বাস্তবায়ন হলে একই পরিমাণ জুসে শুল্ক দিতে হবে ১৮০ টাকা। ফলে আমদানি ও বাজারজাত খরচসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে এক লিটার জুস খুচরা ক্রেতার হাতে পৌঁছাতে দাম পড়বে ৮০০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা। অথচ বর্তমানে ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে একই পরিমাণ জুস কিনতে পারছেন ভোক্তারা।

ফায়জুর রহমান বলেন, সারা বিশ্বে যেখানে জুস জাতীয় খাদ্য আমদানিতে মোট শুল্কের হার ৫-৩৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশে ৯৩ শতাংশ করার প্রস্তাব মোটেও বাস্তবসম্মত নয়। তাছাড়া বিদেশি পর্যটকরা বাংলাদেশে এসে পানীয় হিসেবে আমদানি করা জুস বেশি কেনেন। কিন্তু বাড়তি ট্যারিফ ও শুল্কের কারণে জুসের মূল্য অতিমাত্রায় বৃদ্ধির ফলে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। এতে পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি বলেন, শুল্ক হার কমানো না হলে খাদ্য ও জুস আমদানির সঙ্গে জড়িত প্রায় ১৩০টি প্রতিষ্ঠান পথে বসবে। পাশাপাশি এই খাতের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রায় ২ হাজার ব্যবসায়ীও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অর্থসূচক/শাফায়াত/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ