বাজেট বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: সুপ্র
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বাজেট বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: সুপ্র

আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সঠিকভাবে বাস্তবায়নকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান-সুপ্র।

আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘ঘোষিত বাজেটের সফল ও গুণগত বাস্তবায়নে প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, অঙ্গীকার ও জবাবদিহিমূলক মনোভাব’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ আশঙ্কা প্রকাশ করে সংগঠনটি।

সুপ্র জাতীয় পরিষদ সদস্য মঞ্জু রাণী প্রামাণিক বলেন, আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সঠিক বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বাজেট বাস্তবায়ন নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দিতে রাজস্ব আদায় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা যেমন জরুরি; তেমনি দুর্নীতি হ্রাস, কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণও অত্যাবশ্যক।

Supro

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সুপ্রর আয়োজনে ‘ঘোষিত বাজেটের সফল ও গুণগত বাস্তবায়নে প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, অঙ্গীকার ও জবাবদিহিমূলক মনোভাব’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন।

তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়ন প্রশাসনকে গতিশীল এবং স্থানীয় সরকার কাঠামোকেও শক্তিশালী করাসহ সব পর্যায়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করতে হবে। কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে জেলা বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

মঞ্জু রাণী প্রামাণিক বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদে ঘোষিত গড় প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ কীভাবে অর্জিত হবে- সেই বিষয়ে সুষ্পষ্ট দিক-নির্দেশনা বাজেটে থাকতে হবে।

এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষি ও গ্রামীণখাত এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করে তিনি।

সুপ্রর এই সদস্য আরও বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের রাজস্ব প্রাক্কলন ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকার মধ্যে ২ লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকেই আদায় করতে হবে। এটা একেবারেই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা, এতে কোনো সন্দেহ নেই। বর্তমান অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এ হার ৩৫ দমশিক ৪ শতাংশ বেশি।

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কর প্রদানে মানুষকে উৎসাহিত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে যুগপোযোগী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করে সুপ্র।

বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ঊধ্বমুখী হলেও কৃষিখাতে বরাদ্দ কিছুটা কমেছে উল্লেখ করে মঞ্জু রাণী প্রামাণিক বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান খাত হওয়া সত্বেও কৃষিতে বরাদ্দ না বেড়ে বরং কমেছে। তাই কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে ও পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে কৃষি উপকরণে ভতুর্কি আরও বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার মতো মৌলিক অধিকারের বিষয়গুলো সরবরাহ ও নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের। জনসেবা খাতগুলোতে সবার অভিগম্যতা নিশ্চিতকরণে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি বরাদ্দের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও ব্যয়ের গুণগত মান এবং মনিটরিং বাড়ানো প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্বে করেন সুপ্র চেয়ারপারসন আহমেদ স্বপন মাহমুদ।

অর্থসূচক/মাইদুল/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ