ফার্মা খাতে কার কী অবস্থা?
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » খাত/কোম্পানি পর্যালোচনা

ফার্মা খাতে কার কী অবস্থা?

আমাদের পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে ২৪টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত। এদের মধ্যে ১২টি হচ্ছে ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি, যেগুলো বিভিন্ন ধরনের ওষুধ উৎপাদন করে থাকে। আগামীকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে অভিষেক হচ্ছে আরও একটি কোম্পানির। বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আইপিওতে বাজারে আসা এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন দুই স্টক এক্সচেঞ্জে একযোগে শুরু হবে।

নতুন একটি কোম্পানির লেনদেনকে সামনে রেখে পাঠকদের জন্য অর্থসূচক তৈরি করেছে ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের একটি তুলনামূলক প্রতিবেদন। এতে নেতৃস্থানীয় ৬ টি কোম্পানির তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা হয়েছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলো হচ্ছে-এসিআই লিমিটেড, অ্যাক্টিভ ফার্মা, এমবি ফার্মা, বীকন ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস, গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন, ইবনে সিনা, লিবরা ইনফিউশন, ওরিয়ন ইনফিউশন, ওরিয়ন ফার্মা, রেনাটা ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

At a glance Pharma

৬ ওষুধ কোম্পানির তুলনা

কোম্পানিগুলোর মধ্যে আকার, বিক্রির পরিমাণ, মূলধন, ওষুধ সংখ্যা ইত্যাদি বিবেচনায় এসিআই, বেক্সিমকো ফার্মা, ওরিয়ন ফার্মা, রেনাটা ও স্কয়ারকে এক লাইনে রাখা যায়। গ্ল্যাক্সোর অবস্থান বেশ ভালো হলেও এর পরিশোধিত মূলধন খুবই কম, মাত্র ১২ কোটি টাকা।  ওষুধ বিক্রির দিক থেকে এমবি ফার্মা, বীকন ফার্মা এবং সেন্ট্রাল ফার্মা শীর্ষ ২০ কোম্পানির মধ্যেও নেই। অ্যাক্টিভ ফার্মা ওষুধ উৎপাদন করে না, ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদন করে। লিবরা ইনফিউশন এবং ওরিয়ন ইনফিউশন নানা ধরনের স্যালাইন উৎপাদন করে থাকে, কোনো ওরাল ডোজ (ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ও সিরাপসহ মুখে খাওয়ার ওষুধ) উৎপাদন করে না।

পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় হচ্ছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। এ কোম্পানির মূলধন ৬২৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে সবচেয়ে কম মূলধন এমবি ফার্মার। এই কোম্পানির মূলধন ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা মাত্র।

আলোচিত ৬ কোম্পানির মধ্যে এসিআইয়ের মূলধন ৩৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, বেক্সিমকো ফার্মার মূলধন ৩৮৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা, ওরিয়ন ফার্মার মূলধন ২৩৪ কোটি টাকা, রেনাটার মূলধন ৫২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং একমি ল্যাবরেটরিজের মূলধন ২১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

আলোচিত ৬ কোম্পানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্য-আয় অনুপাত (PE Ratio) রেনাটার। সবচেয়ে কম ওরিয়ন ফার্মার। কোম্পানি দুটির পিই রেশিও যথাক্রমে ৩০ দশমিক ৮৮ ও ১০ দশমিক ৮০।

উল্লেখ, মূল্য-আয় অনুপাত দিয়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয়ের বিপরীতে তার বাজার মূল্যকে প্রকাশ করে। বাজার মূল্যকে শেয়ারের আয় বা ইপিএস দিয়ে ভাগ করলে মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও পাওয়া যায়। সাধারণভাবে বলা হয়ে থাকে, শেয়ারের পিই রেশিও যত কম, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সেটি তত নিরাপদ। অন্যদিকে পিই রেশিও বাড়লে বিনিয়োগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ