তামাকজাত পণ্যে কার্যকর করারোপের দাবি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

তামাকজাত পণ্যে কার্যকর করারোপের দাবি

আসন্ন ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত পণ্যে কার্যকর ও বর্ধিত হারে করারোপের দাবি জানিয়েছে তামাক বিরোধী নানা সংগঠন।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘কেমন তামাক-কর চাই’ শীর্ষক প্রাক বাজেট সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানায়।

Budget Tobacco

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘কেমন তামাক-কর চাই’ শীর্ষক প্রাক বাজেট সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়। ছবি মহুবার রহমান

সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে প্রজ্ঞা ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা), তামাকবিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, অধীর ফাউন্ডেশন, এইড ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, বাংলাদেশ অ্যান্টি টোব্যাকো এ্যালায়েন্সসহ (বাটা) আরও বেশকিছু সংগঠন।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রজ্ঞা ও এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্সের (আত্মা) সহ আহ্বায়ক এবং এটিএন বাংলার চিফ রিপোর্টার নাদিরা কিরণ।

আসন্ন বাজেটে বর্ধিত হারে করারোপের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সিগারেটের করারোপের জন্য ব্যবহৃত মূল্যস্তর প্রথা তুলে দিতে হবে। এ প্রথা কর ফাঁকির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। সব ধরনের সিগারেটের ওপর একই হারে অর্থাৎ খুচরা মূল্যের ৭০ শতাংশ সমপরিমাণ সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ ট্যাক্স আরোপ করতে হবে।

অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে- জর্দা ও গুলের ওপর খুচরা মূল্যের ৭০ শতাংশ সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ ট্যাক্স আরোপ করা; আয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রকৃত মূল্যবৃদ্ধির জন্য তামাক পণ্যের মূল্য সমন্বয় করা; খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত করতে তামাকের ওপর বিদ্যমান রপ্তানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত; তামাক চুল্লিতে বছরে ৫ হাজার টাকা লাইসেন্সিং ফি আরোপ; তামাকের কর প্রশাসন শক্তিশালী করা; কর সংগ্রহ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং কর ফাঁকি রোধকল্পে তামাকপণ্যের শুল্কমুক্ত বিক্রয় প্রথা তুলে দিয়ে করারোপ; তামাকপণ্যের উপর ২ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ আরোপ এবং  এ খাত থেকে আদায়  করা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় তামাক নিয়ন্ত্রণ এবং অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় ব্যয় করা।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, এসব দাবি মেনে নিলে প্রায় ৭০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধুমপায়ী ধূমপান ছেড়ে দেবেন; ৭০ লাখেরও বেশি তরুণ ধুমপান শুরু করা থেকে বিরত থাকবেন। ধুমপানের কারণে প্রায় ৬০ লাখ অকাল মৃত্যু রোধ এবং সরকার অতিরিক্ত ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করবে। বিড়ির ক্ষেত্রে ৩৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক বিড়ি ধুমপায়ী বিড়ি সেবন ছেড়ে দেবেন। ৩৫ লাখ তরুণ বিড়ি সেবন শুরু থেকে বিরত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মালিক, প্রত্যাশার সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ প্রমুখ।

অর্থসূচক/মেহেদী/এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ