‘সরি এগেইন’

faith1-1-252x337টনটনে নৈতিকতা জ্ঞানের কাছে তার বয়সের আগে মাত্র শব্দটির ওপর বিশেষায়ণ আরোপ নেহাৎ বেমামান। যেখানে বড়োরা পুকুরচুরি করেও অনৈতিক কিছু করেছেন বলেই মনে করেন না সেখানে মাত্র দুই পাউন্ডের ক্রিসমাস বাবল ভেঙ্গে স্বস্থি পাচ্ছিলেন না তিনি। তাই ক্ষতিপূরণ না দেওয়াটা অনৈতিক মনে করে দুই পাউন্ডের কয়েনসহ চিঠি লিখে ক্ষমা চেয়েছেন ফেইথ নামের পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু।

 

এই বছরের কোনো এক সপ্তাহন্তের শনিবারে বাবা-মার সাথে শিপিংয়ে এসে দূর্ঘটনাবশত ক্যামব্রিজের একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ক্রিসমাস ব্যাবল ভেঙ্গে ফেলেছিলেন ফেইথ। তখনই ক্ষতিপূরণ দেয়ার কোন বাস্তবতা ছিলো না। বাবা-মার সাথে তখন ফিরতে হয়েছিলো তাকে। ব্যাপারটা দোকানের কেউই লক্ষ্য করেনি। কিন্তু মন থেকে মুছে ফেলতে পারেন নি তিনি। তাই স্টোরের মালিক জন লুইস বরাবর চিঠি লিখে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। সাথে ক্ষতিপূরণ বাবদ পাউন্ড পাঠাতেও ভুল করেন নি।

চিঠিতে ফেইথ লিখেছেন, জন লুইস, শনিবার আপনার স্টোরের একটি ক্রিসমাস ব্যাবল ভাঙ্গার জন্য আমি খুবই দুঃখিত, চিঠিতে ব্যাবলের ক্ষতিপূরণ পাঠালাম। ঘটনাটা দূর্ঘটনাবশত ঘটেছে। তাও আমি আবারো দুঃখ প্রকাশ করছি।

পুরো ঘটনাটা সমূলে নাড়িয়ে দেয় লুইসকে। আজকাল এমন ঘটনা ঘটে না বলে ভেতরে ভেতরে মেয়েটার সাথে দেখা করা ও তাকে ধন্যবাদ জানানোর জোর তাগিদ অনুভব করে তিনি। কিন্তু  চিঠিতে মেয়েটার ঠিকানা না থাকায় সে সুযোগও ছিলো না তার। অবশেষে টুইটারের সহায়তায় মেয়েটাকে ধন্যবাদ জানান।

লুইস তার টুইটার বার্তায় লিখেছেন, আমরা জানিও না ফেইথ আদৌ কোন ব্যাবল ভেঙ্গেছেন কিনা। যদি ভেঙ্গেও থাকেন, আমরা তাকে তার চমৎকার চিঠির জন্য ধন্যবাদ দিতে চাই। ফেইথ যে সংক্ষিপ্ত চিঠি পাঠিয়েছেন সেখানে তার ঠিকানা না থাকায় আমাদের পক্ষে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের কোনো সুযোগই নেই।

টুইটার বার্তায় লুইস আরও লিখেছেন, আমরা স্টোরের পক্ষ থেকে ফেইথকে কিছু উপহার দিতে চাই। ফেইথ যদি তার পছন্দ মতো আমাদের উপহার গ্রহণ করেন আমরা খুবই খুশি হবো।