চট্টগ্রাম বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

চট্টগ্রাম বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ০৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহও এই বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।এর আগে এ বন্দরকে ০৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়।

আজ শুক্রবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

৭ নম্বর বিপদ সংকেত মানে হচ্ছে বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার ঝঞ্জাবহুল সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরের উপর বা কাছ দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বুলেটিনে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর ও এর আশপাশের এলাকাকে ০৬ নম্বর, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর এবং এর আশপাশের এলাকাকে ০৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টি সামান্য উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ শুক্রবার দুপুর ১২:০০ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮১০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আগামীকাল শনিবার বিকেল বা সন্ধ্যা নাগাদ রোয়ানু চট্রগ্রাম- নোয়াখালী উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে বুলেটিনে জানানো হয়েছে।

আগামীকাল সন্ধ্যায় রোয়ানু চট্টগ্রাম বন্দর অতিক্রম করতে পারে।

আগামীকাল সন্ধ্যায় রোয়ানু চট্টগ্রাম বন্দর অতিক্রম করতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘন্টায় ৬২ কিলোমিটার; যা দমকা অথবা ঝড়োহাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর জেলাসমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

অর্থসূচক/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ